চালু হয়ে গেল সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন। ২০১৯ সালে সংসদে পাশ হয় আইনটি। কিন্তু, লাগু করতে ৪ বছর লেগে গেল। অবশেষে ১১ মার্চ বিজ্ঞপ্তি জারি করার মাধ্যমে সিএএ কার্যকর করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। অনলাইনে ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে হবে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মতো মুসলিম ধর্মাবলম্বী দেশ থেকে ধর্মীয় উৎপীড়নের কারণে ভারতে এসে থাকা হিন্দু, শিখ, জৈন,পার্সি, বৌদ্ধ এবং খ্রীস্টান সম্প্রদায়ের শরণার্থীদের।
আরও পড়ুন: চালু হয়ে গেল CAA, শরণার্থীরা ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য যেভাবে আবেদন করবেন!


সিএএ চালু হতেই সরব হয়েছেন বিজেপি নেতারা। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “মোদীর গ্যারান্টি মানে প্রতিশ্রুতি পূরণের গ্যারান্টি। ১৯৪৫ সাল থেকে ধর্মীয় কারণে উৎপীড়িত জনগোষ্ঠী; মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রত্যেক ব্যক্তি সমনাগরিকত্বের দাবি তে সোচ্চার হয়েছেন।”
মোদীর গ্যারান্টি মানে প্রতিশ্রুতি পূরণের গ্যারান্টি।
১৯৪৫ সাল থেকে ধর্মীয় কারণে উৎপীড়িত জনগোষ্ঠী; মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রত্যেক ব্যক্তি সমনাগরিকত্বের দাবি তে সোচ্চার হয়েছেন।
আজ অপেক্ষার অবসান হল।Related Newsরবীন্দ্রনাথ: বাঙালির ধ্রুবতারা, সময় পেরিয়েও যিনি চিরকালীনLIVE UPDATES: রাজ্যপালের উপস্থিতিতে ব্রিগেডে শপথ বাক্য পাঠ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।নাগরিকত্ব (সংশোধনী) আইনের (CAA) নোটিফিকেশন জারির মাধ্যমে এই আইন কার্যকর হবে… pic.twitter.com/25Nm5Oagz1
— Suvendu Adhikari (Modi Ka Parivar) (@SuvenduWB) March 11, 2024
তাঁর সংযোজন, “আজ অপেক্ষার অবসান হল। নাগরিকত্ব (সংশোধনী) আইনের নোটিফিকেশন জারির মাধ্যমে এই আইন কার্যকর হবে গোটা দেশে। আজ এই ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে স্মরণ করি এবং পূর্ণব্রহ্ম পূর্ণাবতার শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর ও শিবাবতার শ্রীশ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুরের শ্রীচরণে প্রণাম নিবেদন করি। জয় হরিবোল।”

বিরোধীরা অবশ্য এই যুক্তি মানতে নারাজ। তাঁদের মতে, লোকসভা নির্বাচনের আগে নির্দিষ্ট ভোটকে কুক্ষিগত করতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি সরকার। রাজ্যের কংগ্রেস, তৃণমূল ও সিপিআইএমের পক্ষ থেকে সমালোচনা করা হয়েছে এই আইনের।

২০১৯ সালে দ্বিতীয়বারের জন্য দেশের ক্ষমতায় এসেই সিএএ (CAA) কার্যকর করার কথা ঘোষণা করে বিজেপি সরকার। সংসদে পাশ হয় বিলও। কিন্তু মাঝে এতগুলো বছর কেটে গেলেও সেই বিলকে আইনে কার্যকর করতে পারেনি কেন্দ্র সরকার। যার মূল কারণ, বিরোধীতা। দেশের তাবড় তাবড় রাজনৈতিক থেকে শুরু করে বুদ্ধিজীবী প্রত্যেকেই সমালোচনা করেন এই বিলের। পথে নেমে প্রতিবাদ করে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা।
CAA লাগু হতেই দিকে দিকে উৎসব, শুভেন্দু বললেন, মোদী মানেই গ্যারান্টি!
সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (CAA) কী বলে? বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মতো মুসলিম ধর্মাবলম্বী দেশ থেকে যদি সে দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা ধর্মীয় উৎপীড়নের কারণে ভারতে আশ্রয় নিতে চান তা হলে তা দেবে কেন্দ্র সরকার। মুসলিম অধ্যুষিত দেশের সংখ্যালঘু অর্থাৎ, হিন্দু, শিখ, জৈন,পার্সি, বৌদ্ধ এবং খ্রীস্টান। তার মধ্যে অবশ্যই মুসলিমরা পড়ছেন না!










