লোকসভা নির্বাচনের আগে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র সরকার। আজ ১১ মার্চ দেশ জুড়ে লাগু হল সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন। একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়ে দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। আর এই সিদ্ধান্তের পর কার্যত উৎসবের ছবি উত্তর ২৪ পরগণার ঠাকুরনগরে। মতুয়ারা আনন্দে মেতেছেন। আবার অন্যদিকে, বিরোধীদের তরফ থেকে তীব্র বিরোধিতা জানানো হচ্ছে।



আরও পড়ুন : মানুষের অধিকার কেড়ে নিলে রুখে দাঁড়াব, CAA প্রসঙ্গে হুঙ্কার মমতার
প্রথমে জানা যাচ্ছিল, সোমবার রাত ১০টা নাগাদ সিএএ (CAA) সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করতে পারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। যদিও তার অনেক আগেই জারি হয়ে গেল বিজ্ঞপ্তি। আগামীকাল থেকেই নাগরিকত্বের জন্য আবেদন জানানো যাবে। রয়েছে আরও বেশ কিছু প্রক্রিয়া, তা ধীরে ধীরে প্রকাশিত হবে। গত ফেব্রুয়ারি মাসেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানান, লোকসভা নির্বাচনের আগেই চালু হবে সিএএ। আর তাই হল।



একেবারে ভোটের মুখে কার্যকর হল সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন। এই আইনে কোনও ব্যক্তির নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার কোনও বিধান নেই। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ জানান, ‘দেশে সংখ্য়ালঘু বিশেষ করে মুসলিম সম্প্রদায়কে উস্কানি দেওয়া হচ্ছে। সিএএ কারও নাগরিকত্ব কেড়ে নিতে পারে। এই আইনে তেমন কোনও বিধান নেই।’ তিনি আরও বলেন, ‘সিএএ বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তানের নির্যাতিত শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার একটি আইন।’

CAA নিয়ে মুসলিম ভাইবোনেদের কোনও চিন্তা নেই, আশ্বাস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর!
উল্লেখ্য, দেশের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনকে চ্যালেঞ্জ করে দেশের বিভিন্ন আদালতে জনস্বার্থ মামলা হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ এই আইন ধর্মীয় বিভেদ বাড়াবে। তবে সেই অভিযোগ সম্পূর্ণ নস্যাৎ করে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁর অভিযোগ, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে মুসলিম সম্প্রদায়কে উস্কে দেওয়া হচ্ছে। ভুল বোঝানো হচ্ছে তাঁদের। মুসলিমদের তাঁর আশ্বাস, তাঁদের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হবে না।







