শনিবার রাজ্যের চার কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ফল প্রকাশ হয়েছে। সেখানে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসেরই জয়জয়কার। চারটি আসনই জিতেছে জোড়াফুল শিবির। যে তিনটি আসন আগে বিজেপির দখলে তাও হাতছাড়া হয়েছে তাঁদের। স্বাভাবিকভাবেই এই ফলের পর প্রশ্ন উঠছে রাজ্যে বিজেপির ভবিষ্যত নিয়ে।
১৩ বছর পর মধুপর্ণার হাত ধরে বাগদা পুনরুদ্ধার করল তৃণমূল। সামনেই ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে মতুয়া গড়ে নিজেদের আধিপত্য পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পেরে পারাটা নিঃসন্দেহে তৃণমূলের কাছে অত্যন্ত ইতিবাচক একটি বিষয়।
লোকসভা ভোটের পর বাংলায় ৪ কেন্দ্রের উপনির্বাচনকে ঘিরে বড় পরীক্ষা ছিল রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস ও প্রধান বিরোধী দল বিজেপির কাছে। এবার সেই পরীক্ষার ফলাফলেই বিজেপিকে কার্যত হোয়াইটওয়াশ করে ৪/০ ব্যবধানে জয়লাভ করেছে তৃণমূল।
লোকসভা নির্বাচনের পর প্রথম পরীক্ষা পাশ করে গেল তৃণমূল কংগ্রেস। বিধানসভা উপনির্বাচনে চার কেন্দ্রেই জয় পেল শাসক দল। অন্যদিকে, কার্যত ধরাশায়ী রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। জেতা তিন আসন হাতছাড়া করল তাঁরা।
২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মানিকতলা জেতে তৃণমূল। এরপর মাত্র দুবছর পরেই সাধন পান্ডে প্রয়াত হওয়ার পড়েই এই কেন্দ্রে হয় উপনির্বাচন। এই কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে প্রার্থী করা হয় প্রয়াত সাধন পান্ডের স্ত্রী সুপ্তি পান্ডেকে। অপর দিকে বিজেপির তরফে প্রার্থী করা হয় কল্যাণ চৌবেকে।
২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রানাঘাট দক্ষিণ থেকে বিজেপির হয়ে জিতেছিলেন মুকুটমণি অধিকারী। এইবার জিতলেন তৃণমূলের হয়ে। লোকসভায় তিনি রানাঘাটের প্রার্থী হলেও বিজেপির জগন্নাথ সরকারের কাছে হেরে যান।