শনিবার রাজ্যের চার কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ফল প্রকাশ হয়েছে। সেখানে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসেরই জয়জয়কার। চারটি আসনই জিতেছে জোড়াফুল শিবির। যে তিনটি আসন আগে বিজেপির দখলে তাও হাতছাড়া হয়েছে তাঁদের। স্বাভাবিকভাবেই এই ফলের পর প্রশ্ন উঠছে রাজ্যে বিজেপির ভবিষ্যত নিয়ে।
উপনির্বাচনের এই ফলে যদিও হতাশ নন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তাঁর বক্তব্য, “উপনির্বাচন সবসময় শাসক দলের পক্ষে যায়। ২০১৯ সালে আমরা লোকসভায় ১৮ আসন পেয়েছিলাম, তারপরেও উপনির্বাচন হয়েছিল। আমরা সব কটা হেরে গিয়েছিলাম। তারপর একুশের বিধানসভায় আবার ভালো ফল হয়েছিল।”



সঙ্গে তিনি এও বলেন, “ঠিক সেরকমই এখন উপনির্বাচনে যে ফল হল আগামী ২০২৬ সালের বিধানসভায় এই চার কেন্দ্রেই বিজেপির ফল অন্যরকম হবে। আমার কথা মিলিয়ে নেবেন। তাছাড়া স্বচ্ছতার সঙ্গে তো ভোটই হয়নি। তৃণমূলই সব আসন জিতবে সেটাই স্বাভাবিক।”
2026 বিধানসভার ফল সম্পূর্ণ অন্যরকম হবে, উপনির্বাচন ৪-০ হেরে হতাশ নন সুকান্ত



গত ১০ জুলাই মানিকতলা, রানাঘাট দক্ষিণ, বাগদা এবং রায়গঞ্জ কেন্দ্রে ভোট ছিল। এর মধ্যে শুধুমাত্র মানিকতলাই তৃণমূলের দখলে ছিল। কিন্তু, বাকী আসন ছিল বিজেপির দখলে। যদিও এও ঠিক, একুশের নির্বাচনে যারা বিজেপির হয়ে এই তিন কেন্দ্র থেকে জেতেন তাঁরাই আজ তৃণমূলে! রায়গঞ্জ ও রানাঘাট দক্ষিণে সেই কৃষ্ণ কল্যাণী আর মুকুটমণি অধিকারীই জিতেছেন। বাগদায় বিশ্বজিত দাসকে টিকিট দেয়নি তৃণমূল। সেখানে জিতেছেন রাজ্যসভার সাংসদ মমতাবালা ঠাকুরের কন্যা মধুপর্ণা ঠাকুর।







