রাজনৈতিক স্বার্থে এই গুজব ছড়ানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এরকম কোনও নির্দেশিকা শিক্ষা দফতর জারি করেনি। রাজ্যে কোনও স্কুল বন্ধ হচ্ছে না। পুরোটাই গুজব’।
উচ্চমাধ্যমিকের চেয়ে মাধ্যমিকের পরীক্ষার্থীদের সংখ্যা কম। প্রায় ৪ লক্ষ প্রার্থী কমে গেছে। তাহলে অতিরিক্ত শিক্ষক নিয়োগের প্রয়োজনীয়তা কোথায়? সোমবার অসন্তোষের সুর শোনা গেল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর গলায়। একইসঙ্গে পরীক্ষার্থীদের সংখ্যা কমে যাওয়ায় শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিচারপতি। শিক্ষামন্ত্রীকে নতুন আইন লাগু করার পরামর্শ বিচারপতির।
আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। আদালতের তরফে নির্দেশ দেওয়া হলেও নিয়োগ নিয়ে কি নতুন করে জটিলতা শুরু হবে? সেই প্রশ্নের মধ্যেই মুখ খুললেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর শিক্ষামন্ত্রী জানালেন, ওয়েটিং লিস্টে থাকা অনেকের ওএমআর শিটে গণ্ডগোল রয়েছে।
সিবিআই সূত্রে দাবি করা হচ্ছে, প্রাথমিক শিক্ষা দফতরের ওয়েবসাইটে নাম দেখিয়ে ভুয়ো শংসাপত্র পেশ করে টাকা নিতেন কুন্তল। দেড় মাস আগে হওয়া টেটের ওএমআর শিট মিলেছে কুন্তলের বাড়ি থেকে। তা নিয়ে এবার মুখ খুললেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তাঁর কথায়, দালালের বাড়িতে ওএমআর শিট মিললে দায় সরকারের নয়।
ইউজিসির কমিটিতে নেই বাংলার প্রতিনিধি। ৪০ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে কেউ জায়গা পেল না? যা দেখে সরব হয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। অভিযোগ, বাংলাকে বঞ্চনা করছে কেন্দ্র। ট্যুইট করে তিনি বিস্বহদিয়ালয়ের মঞ্জুরি কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি। সরব হয়েছেন বাংলার বঞ্চনার বিরুদ্ধে।
ওয়েটিং লিস্টে থাকা চাকরি প্রার্থীর র্যাঙ্ক জাম্প করে নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিচারপতি। কার সুপারিশে অযোগ্যরা চাকরি পেয়েছেন? কে কে তাঁদের সুপারিশ দিয়েছিল? শুক্রবার নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত একটি মামলায় ৯ জনের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সেই মামলা চলাকালীন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর নাম উল্লেখ করেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। এমনকি মধ্যশিক্ষা পর্ষদ কালপ্রিট, বলে কটাক্ষ করেন তিনি।