নজরবন্দি ব্যুরোঃ ধনকড়ের জমানায় নিয়োগ নিয়ে একাধিক প্রশ্নের মাঝেই মঙ্গলবার রাজভবনে উপাচার্যদের নিয়ে বৈঠক করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ৬ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। সেখানে ৬ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা পদত্যাগপত্র তুলে দেন।
আরও পড়ুনঃ ওয়েটিং লিস্ট গঙ্গার জলের মতো স্বচ্ছ নয়, কমিশনকে সতর্ক করলেন হাইকোর্ট


একইসঙ্গে তাঁদের তিন মাসের মেয়াদ বৃদ্ধির নির্দেশ দেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। এর মাধ্যমেই শিক্ষামন্ত্রী বোঝাতে চাইলেন এরা প্রত্যেকেই বৈধ উপাচার্য। যাদের নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজ্যপালের অনুমোদন। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, সরকার, বিশ্ববিদ্যালয়, আচার্য, উপাচার্য এবং সর্বোপরি মুখ্যমন্ত্রী চাইছেন বিশ্ববিদ্যালয়গুলি ঠিক করে চলুক। সেখানে কোনও সংঘাতের আবহ যাতে না তৈরি হয়।

রাজ্যপালও মনে করেন, এই পন্থা মেনেই আমাদের এগোনো উচিত। আজকে সাতজন যারা উপস্থিত হয়েছেন তাঁরা পদত্যাগপত্র দেবেন। পরবর্তীকালেও এই কাজ বজায় থাকবে। একইসঙ্গে সার্চ কমিটির আইনি সংশোধন করে, সার্চ কমিটি নতুন করে গঠন করতে চাইছে সরকার। সেটাও মুখ্যমন্ত্রী বলে দিয়েছেন। রাজ্যপালও আইনি পরামর্শ দিয়ে দিকনির্দেশ দিয়েছেন।
যার ফলে খুব দ্রুত পরিবর্তন হবে। রাজ্যপালের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরেই এবিষয়ে বিস্তারিত বলা হবে। উপাচার্যদের ভবিষ্যত নিয়ে আদালতের কাছে একটা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। সেটা এখন একটা স্থিতিশীল জায়গায় এল। আগামী দিনে সবাই যাতে একসূত্রে কাজ করতে পারে, তার নির্দেশিকা পাওয়া গেল। এদিন ব্রাত্য বসু বলেন, রাজ্যপাল যা বোঝাতে চাইলেন, তিনি কোনও নির্দিষ্ট দলের নয়। রাজ্যপাল সবার।



যদি কোনও পর্ব থেকে থাকে, তাহলে সেই পর্ব অতীত। এই নতুন সমস্যের জন্য আমি মুখ্যমন্ত্রীকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাবো। তাঁর উদ্যোগেই এই নতুন পথ তৈরি হল। যেখানে আইনি জটিলতা কাটিয়ে আমরা নতুন ভোরের দিকে এগিয়ে যেতে পারি। কিন্তু রাজ্য বনাম রাজ্যপালের সংঘাত সম্পর্কে আঁচ মিলছিল বেশ কয়েকদিন ধরেই।
রাজভবন নবান্ন একসূত্রে কাজ করবে, রাজ্যপালের পাশে বসে জানালেন ব্রাত্য

এমনকি এবিষয়ে রাজ্যপালকে বিঁধে কুরুচিকর মন্তব্য করতে দেখা যায় মদন মিত্রকে। সেবিষয়ে প্রশ্ন করা হলেৎএদিন শিক্ষামন্ত্রী স্পষ্ট করে বুঝিয়ে দিলেন, অতিতে যে ঘটনা ঘটেছে, সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। তার কারণ, রাজ্যপাল গভীরভাবে বিশ্বাস করেন তিনি রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান। আর মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত প্রতিনিধিদের প্রধান। আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। কোন বিধায়ক কী মন্তব্য করেছেন আমি জানি কিন্তু আমি বলব যে এগুলো এনে মাঝখানে এনে কোনও জলঘোলা করার প্রয়োজন নেই।







