৫ বছর পর আজ রাজ্যজুড়ে চলছে টেট পরীক্ষা। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকেই অভিযোগ আসছে প্রতিনিয়ত। এরই মধ্যে টেটের প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে নতুন করে জলঘোলা হতে শুরু করেছে। এদিন সকাল থেকেই হোয়াটসঅ্যাপে ঘুরছে টেটের প্রশ্নপত্র। এমনটা অভিযোগ আসার পরেই মুখ খুললেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উৎকর্ষ ধরে রাখতে প্রাক্তনীদের কাছে অর্থ সাহায্য চেয়ে হাত পাততে বাধ্য হয়েছে যাদবপুর কর্তৃপক্ষ। ‘ভাঁড়ারে টাকা নেই’, এ কথা মানতে পারছেন না রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। এমনকি প্রাক্তনীদের অর্থ সাহায্যের বিষয়টিকে ‘নৈতিক দায়িত্ব’ বলে জানিয়েছেন তিনি।
দুর্নীতির অভিযোগে জেল হেফাজতে রয়েছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী সহ একাধিক আধিকারিকরা। এই বিপুল নিয়োগ হয়েছে টাকার বিনিময়ে। আদালতে বারবার দাবি করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি। এরই মধ্যে বিস্ফোরক মন্তব্য শিক্ষামন্ত্রি ব্রাত্য বসুর। তাঁর বক্তব্য, আন্দোলন করলেই চাকরি মিলবে? এমনটা ভাবার প্রয়োজন নেই।
আমরা অবিচার করছি মনে হলে রাস্তায় না বসে আদালতে যান।একইসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রীর অভিযোগ, নিয়োগ প্রক্রিয়াকে ভেস্তে দিতেই এমন অচলাবস্থা সৃষ্টি করা হচ্ছে। এর পেছনে রাজনৈতিক মদত রয়েছে। নিয়োগের ক্ষেত্রে কারোর সুপারিশ গ্রহণ করা হবে না। নিয়োগে পর্ষদ শেষ কথা, প্সষ্ট জানিয়েছেন তিনি। নিয়োগের ব্যাপারে দফতরের কোনও সম্পর্ক নেই।