বিতর্কের সূত্রপাত গত শুক্রবার। বৈঠকের জন্য রাজ্য চালিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলির রেজিস্ট্রারদের ডেকে পাঠিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু দেখা যায় হাতে গুনে মাত্র ১২ জন রেজিস্ট্রার উপস্থিত ছিলেন। এনিয়ে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছিলেন তিনি। শিক্ষামন্ত্রীর অভিযোগ রাজ্যপাল অনুমোদন না দেওয়ায় আসতে পারেননি তাঁরা।
প্রথম থেকেই এই জাতীয় শিক্ষানীতি মানতে নারাজ ছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ৯ সেপ্টেম্বর অর্থাৎ আজ থেকেই বলবৎ হল নতুন শিক্ষানীতি। সেখানে মাধ্যমিক পরীক্ষা রেখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত যথার্থ বলেই মনে করছেন উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য।
বাংলায় আর শিক্ষা ব্যবস্থা বলে কিছুই নেই। সমস্ত শিক্ষা ব্যবস্থা দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে। আর এই ধ্বংসের পিছনে হাত রয়েছে রাজ্যের ‘জেমস বন্ড’ রাজ্যপালের। ওনার জন্যই বাংলার শিক্ষা ব্যবস্থার এহেন অবস্থা। আদালতেই সমাধান হবে। আদালত ছাড়া আর কোনও উপায় নেই। সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু।
রাজ্য রাজ্যপাল সংঘাত কোনও নতুন বিষয় নয়। দিনের পর দিন তা যেন আরও তীব্র রূপ ধারণ করছে। এবার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। ব্রাত্যর অভিযোগ, কোন আইনের বলে একজন আচার্য উপাচার্যের পদ সামলাতে পারেন?
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় মঙ্গলবার বিধানসভায় মুলতুবি প্রস্তাব আনল রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন। এরপর বিরোধী দলনেতা মুলতুবি প্রস্তাবটি পাঠ করেন।
এই নিয়ে নিজের মতামত ব্যাক্ত করেছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমি চাইব হস্টেলগুলোয় সিসিটিভি যেমন থাকবে, তেমনই আচরণও আমাদের যথাসম্ভব নিয়ন্ত্রিত হওয়া দরকার। সিসিটিভি রাখা হবে কী হবে না তা যাদবপুর কর্তৃপক্ষের চাওয়া।”
রাজভবন-নবান্ন সংঘাত তুঙ্গে। রাজ্য ও রাজ্যপাল সংঘাত কোনও নতুন বিষয় নয়। শুধু দিনের পর দিন তা যেন আরও তীব্র হচ্ছে। এবার রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজ্যপাল তথা আচার্য সিভি আনন্দ বোসের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গেল রাজ্য।