নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জর্জরিত রাজ্য। স্বচ্ছ নিয়োগের দাবিতে পথে নেমেছে চাকরিপ্রার্থীরা। শনিবার (৯ ডিসেম্বর) এক হাজার তম দিনে পা দিয়েছে এসএলএসটি চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলন। সকাল থেকেই প্রতিবাদ ও দাবিতে আন্দোলন আরও ঝাঁঝালো রূপ নিয়েছে। উত্তপ্ত পরিস্থিতি।
এই নিয়ে কটাক্ষ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তিনি বলেন, “রাজ্যপাল সুপ্রিম কোর্টকেও যদি মানতে না চান, সেটা তাঁর অভিরুচি। বিষয়টি কোর্টের বিচারাধীন রয়েছে। আমরা নিশ্চিতভাবে বিষয়টি আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করব”।
রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগের পদ্ধতিকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করে রাজ্য সরকার। আজ সেই মামলার শুনানিতে বাংলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নতির স্বার্থে রাজ্য ও রাজ্যপালকে মতভেদ দূরে সরিয়ে রাখার নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত। একই সঙ্গে, উপাচার্য নিয়োগের জন্য একটি সার্চ কমিটি গঠন করে দেবে সুপ্রিম কোর্ট।
সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যপাল জানান মুখ্যমন্ত্রী বিদেশ থেকে ফিরে এলেই আলোচনা হবে। এদিকে এদিনই নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন ওই চিঠিতে কী লেখা ছিল।
গত কয়েকদিনে চরম রূপ নিয়েছে রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত। শনিবার মধ্যরাতে রাজভবনের তরফে পাঠানো জোড়া চিঠি নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। জানা যায়, মুখ্যমন্ত্রী ও দিল্লিতে দুটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। কিন্তু তাতে কী লেখা রয়েছে, এখনও স্পষ্ট নয়।