নজরবন্দি ব্যুরো: গত শনিবার মধ্যরাতে রাজভবনের তরফে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ও দিল্লিতে জোড়া চিঠি পাঠানো হয়। কিন্তু তাতে কী লেখা ছিল, কেন চিঠি পাঠানো হল তা নিয়ে কিছুই জানা যায়নি। সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যপাল জানান মুখ্যমন্ত্রী বিদেশ থেকে ফিরে এলেই আলোচনা হবে। এদিকে এদিনই নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন ওই চিঠিতে কী লেখা ছিল।
আরও পড়ুন: মন্ত্রিসভায় বড়সড় রদবদল মমতার, পর্যটন থেকে সরানো হল বাবুলকে


দিল্লি সফর থেকে ফিরেই আজ নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে রাজ্যপালের চিঠি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে উত্তরে বলেন, “সেরকম কোনও চিঠি দেননি, আমি বাইরে যাচ্ছি তাই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।” পাশাপাশি শুভেন্দু অধিকারী দাবি তুলেছিলেন যে রাজ্যপালের দেওয়া চিঠি প্রকাশ করা হোক। এনিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এটি ব্যক্তিগত একটি চিঠি, সরকারের সঙ্গে সম্বন্ধিত নয়, এইভাবে এইধরনের চিঠি প্রকাশ করা যায় না।”

গত সপ্তাহের শুক্রবার বৈঠকের জন্য রাজ্য চালিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলির রেজিস্ট্রারদের ডেকে পাঠিয়েছিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। কিন্তু দেখা যায় হাতে গুনে মাত্র ১২ জন রেজিস্ট্রার উপস্থিত ছিলেন। এনিয়ে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছিলেন তিনি। শিক্ষামন্ত্রীর অভিযোগ রাজ্যপাল অনুমোদন না দেওয়ায় আসতে পারেননি তাঁরা। এমনকি সিভি আনন্দ বোসকে মহম্মদ বিন তুঘলকের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। এর জবাবে শনিবার রাজ্যপাল কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আজ মধ্যরাতে কী করি দেখুন।” ওইদিন রাতেই ঘড়ির কাটা ১২-র ঘর ছোঁয়ার আগেই জোড়া চিঠি গেল নবান্নে ও দিল্লিতে।



সোমবার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে জোড়া চিঠি প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি সাংবাদিকদের জানান, ”মুখ্যমন্ত্রী বিদেশ যাচ্ছেন। এখন তাঁকে টেনশন দিতে চাই না। তিনি ফিরে এলে আলোচনা করা যাবে।” পাশাপাশি নাম না করেই ব্রাত্য বসুকে ‘জুনিয়র অ্যাপয়েন্টি’ বলেও কটাক্ষ করে বলেন, “যাকে চিঠি দিয়েছি তিনিই যা বলার বলবেন।”
মধ্যরাতে রাজ্যপালের পাঠানো চিঠিতে লুকিয়ে কোন ‘রহস্য’? নিজেই জানালেন মমতা








