নজরবন্দি ব্যুরো: কোনও প্রতিষ্ঠান বা কর্তৃপক্ষের একার পক্ষে কখনওই র্যাগিং রোখা সম্ভব নয়, মন্তব্য শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর। তিনি বলেন, একমাত্র সিনিয়র-জুনিয়রের সম্পর্কের মসৃণতাই পারে এই প্রবণতা দূরে ঠেলতে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে র্যাগিংয়ের অভিযোগ নতুন নয়। আর সেই র্যাগিং যে কখনও কখনও প্রাণঘাতীও হয়ে ওঠে, তার উদাহরণও কম নেই।
আরও পড়ুন: ছাত্রমৃত্যুর ১১ দিন পর ‘নিখোঁজ’ অরিত্রর হদিশ মিলল, অভিযোগের জবাব দিতে ফেসবুক পোস্ট
সম্প্রতি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় জোরাল হয়েছে র্যাগিংতত্ত্ব। এই র্যাগিং কখনও শারীরিক, কখনও মানসিক। তবে র্যাগিং যে অপরাধ, তা এক বাক্যে মানছে সবমহলই। আর এবার এ বিষয়ে সিনিয়র পড়ুয়াদের এগিয়ে আসার পরামর্শ দিলেন শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তাঁর পরামর্শ, সরকার বা রাষ্ট্র র্যাগিং নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না র্যাগিংয়ের মতো ঘটনা বন্ধ করতে গেলে সিনিয়র পড়ুয়াদেরই এগিয়ে আসতে হবে।

জুনিয়রদের ভালোবাসতে হবে। একই সঙ্গে স্বাধীনভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালানোর পরামর্শ দিয়েছেন রাজ্যের শিক্ষা মন্ত্রী। সোমবার বিধানসভার বাইরে দাঁড়িয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ভারতের অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে র্যাগিংয়ের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনা আটকাতে পারে না কর্তৃপক্ষ বা রাষ্ট্র। র্যাগিংয়ের ফলে যদি কোনও মৃত্যু হয় বা নির্মম ঘটনা ঘটে সেক্ষেত্রে নিশ্চয় মানুষ প্রতিবাদ করবে।

তবে যখন সিনিয়র ছাত্ররা জুনিয়াদের ভালোবাসতে শিখবে তখনই র্যাগিংয়ের মতো ঘটনা বন্ধ হয়ে যাবে। তাঁর মতে, ছাত্ররাই একমাত্র পারে র্যাগিং রুখতে। অপর দিকে যাদবপুরের ঘটনার পর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই সিসিটিভি বসানোর পক্ষে সওয়াল করা হচ্ছে।
ছাত্ররাই একমাত্র পারে র্যাগিং রুখতে, বললেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু

এই নিয়ে নিজের মতামত ব্যাক্ত করেছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমি চাইব হস্টেলগুলোয় সিসিটিভি যেমন থাকবে, তেমনই আচরণও আমাদের যথাসম্ভব নিয়ন্ত্রিত হওয়া দরকার। সিসিটিভি রাখা হবে কী হবে না তা যাদবপুর কর্তৃপক্ষের চাওয়া।”



