নজরবন্দি ব্যুরো: বাংলায় আর শিক্ষা ব্যবস্থা বলে কিছুই নেই। সমস্ত শিক্ষা ব্যবস্থা দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে। আর এই ধ্বংসের পিছনে হাত রয়েছে রাজ্যের ‘জেমস বন্ড’ রাজ্যপালের। ওনার জন্যই বাংলার শিক্ষা ব্যবস্থার এহেন অবস্থা। আদালতেই সমাধান হবে। আদালত ছাড়া আর কোনও উপায় নেই। সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু।
আরও পড়ুন: Arrest: যাদবপুরের হুমকি চিঠিকাণ্ডে নাম জড়ানো অধ্যাপক গ্রেফতার, শ্লীলতাহানির অভিযোগ
প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্যের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয় গুলিতে উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে শুরু হয়ে রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত শুরু হয়েছে। শুধু তাই নয়, রাজ ভবনের পক্ষ থেকে উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে একের পর এক নির্দেশ জারি করা হয়েছে। যদিওবা এই ব্যাপারে রাজ্যের শিক্ষা দফতরের পক্ষ থেকে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। কিন্তু সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে মুখ খুললেন শিক্ষামন্ত্রী। আর বৈঠকের শুরুতেই রাজ্যপালকে আক্রমণ করলেন সিক্ষামন্ত্রী।

এদিকে, রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাতের আবহেই রাজ্যের ১৬ টি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ করেছেন রাজ্যপাল। জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে যেই সব বিশ্ববিদ্যালয় গুলি উপাচার্যহীন হয়ে ছিল, এবার সেইসব বিশ্ববিদ্যালয় গুলির জন্য রবিবার রাতে অন্তবর্তী উপাচার্য নিয়োগ করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। কিন্তু হঠাৎ কেন উপাচার্যহীন বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপাচার্য নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিলেন রাজ্যপাল? তবে রাজ্যপালের এই সিদ্ধান্তের জেরে আগামী দিনে ফের একবার রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত প্রকট করতে চলেছে বুলে মত ওয়াকিবহাল মহলের।

উল্লেখ্য, বেশ কয়েকদিন আগেই জানানো হয়েছিল যে, যেই সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয় গুলিতে উপাচার্য নেই, সেই সব বিশ্ববিদ্যালয় গুলিতে পড়ুয়াদের সমস্যার কথা ভেবে সেখানে উপাচার্যের ভূমিকা পালন করবেন আচার্য। অর্থাৎ রাজ্যপালই বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্ত প্রশাসনিক কাজ ও পড়ুয়াদের সার্টিফিকেট বা অন্য নথি প্রদান করবেন। আর এর পরেই নতুন করে রাজ্য ও রাজভবনের মধ্যে সংঘাতের ছবি প্রকাশ্যে আসতে থাকে। শুধু তাই নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে, সেই নিয়েও তুঙ্গে উঠে তরজা!
বাংলার শিক্ষা ব্যবস্থা দেউলিয়া হয়ে গেছে,আক্রমণ ব্রাত্যর




