নজরবন্দি ব্যুরো: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ও জয়েন্ট রেজিস্ট্রারকে হুমকি চিঠি পাঠানোর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কোচবিহার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রানা রায়ের নাম জড়িয়েছে। এবার তাঁকেই গ্রেফতার করা হল। মহিলার শ্লীলতাহানির অভিযোগে টালা থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছে। গত মাসের শুরুতেই এক মহিলা অভিযোগ দায়ের করেছিলেন।
আরও পড়ুন: Leaps and Bounds-র কম্পিউটারে ফাইল নিয়ে বিতর্ক! বদলি তদন্তকারী অফিসার


পুলিশ সূত্রে খবর, গত আগস্ট মাসে এক মহিলাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে নাম জড়ায় অধ্যাপক রানা রায়ের। ওই মহিলা টালা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর কলকাতা পুলিশ তদন্ত শুরু করে। গত রবিবার ওড়িশার একটি হোটেল থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। জানা যায়, ধৃত রানা রায়ের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক অভিযোগ উঠেছে। তিনি যে আবাসনে থাকতেন সেখানকার বাসিন্দাদের হুমকি চিঠি পাঠানোর পাশাপাশি গর্ভনিরোধক ওষুধ পাঠাতেন।

২০১৯ সালে আরও এক মহিলা তাঁর বিরুদ্ধে টালা থানায় শ্লীলতাহানির অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। সেই মামলার চার্জশিটে আদালতে রানা রায়কে পলাতক উল্লেখ করা হয়। পরবর্তীতে শিয়ালদহ কোর্ট অভিযুক্ত অধ্যাপকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। এরপর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরে অবশ্য জামিনে মুক্ত হন। এরপর ফের রবিবার তাঁকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়।



উল্লেখ্য, সম্প্রতি যাদবপুরকাণ্ডে ধৃত সৌরভ চৌধুরীর গ্রেফতারির বিরোধিতায় রেজিস্ট্রার ও জয়েন্ট রেজিস্ট্রারকে হুমকি চিঠি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে রানা রায়ের বিরুদ্ধে। প্রেরকের চিঠিতে রয়েছে তাঁর বাড়ির ঠিকানা। চিঠিতে বলা হয়েছে, যাদবপুর কাণ্ডে আপনারা সৌরভ চৌধুরীকে ফাঁসিয়েছেন। প্রাণে মারার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। চিঠিতে লেখা হয়েছে জুতোর মালা পরানো হবে। একইসঙ্গে চিঠিতে রয়েছে অকথ্য ভাষার গালিগালাজ।
যাদবপুরের হুমকি চিঠিকাণ্ডে নাম জড়ানো অধ্যাপক গ্রেফতার, শ্লীলতাহানির অভিযোগ
![]()







