মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন, সমস্ত জটিলতা কাটিয়ে ধূপগুড়ি মহকুমা হয়েছে। এই খবর প্রকাশ্যে আসার পরই খুশির জোয়ার ওই এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে। একথা নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন অভিষেক। তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীরাও সাধুবাদ জানিয়েছেন দলের সেকেন্ড ইন কমান্ডকে।
গত বছর ডিসেম্বরেই চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে বার দুয়েক বৈঠকে বসছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। আর এবার তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, আইনি জট কাটার ১ সপ্তাহের মধ্যে নিয়োগের ব্যবস্থা করবে রাজ্য সরকার।
এই সব নিয়েই এবার তোলপাড় হচ্ছে বাংলার রাজনৈতিক অঙ্গন। শিক্ষামন্ত্রী (Bratya Basu) সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় এও জানান যে এবারের লোকসভা নির্বাচনে ৩৫-৪০ টা আসনে তৃণমূল কংগ্রেস পাবে।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় কন্যা সন্তানদের পড়াশোনায় উৎসাহ দেওয়ার জন্য এই উদ্যোগ নিয়েছেন।পুরো রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়াটি অনলাইনে করতে হবে বলে জানা গিয়েছে।
পরীক্ষার কথাই ভাবছেন টেট পরীক্ষার্থীরা। পরীক্ষার ঠিক আগের দিন পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বার্তা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তিনি জানান, সুযোগ দিলেই স্বচ্ছ নিয়োগ হবে।
খুব দ্রুত এসএলএসটি (SLST) চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগের ব্যবস্থা করবেন বলে কথা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। শুক্রবার বিকাশ ভবনে চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে প্রায় দেড় ঘন্টা বৈঠক করেন তিনি। আগামী ১লা ফেব্রুয়ারির মধ্যে নিয়োগ সংক্রান্ত সমস্ত জটিলতা কাটবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। ব্রাত্য বসুর পাশাপাশি এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এসএসসি চেয়ারম্যান, প্রিন্সিপ্যাল সেক্রেটারি এবং তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষ।
হাজার দিন পার হয়েছে SLST চাকরিপ্রার্থীদের। ধর্মতলায় আজ নজিরবিহীন দৃশ্যের সাক্ষী গোটা বাংলা। মাথা ন্যাড়া করে প্রতিবাদ জানালেন এক মহিলা চাকরিপ্রার্থী। এবার চাকরিপ্রার্থীদের সমর্থনে মুখ খুললেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। রাজ্য সরকারের সমালোচনা করে তিনি সাফ জানালেন, এই শিক্ষামন্ত্রী থাকলে থাকলে জীবনেও চাকরি পাবেন না আন্দোলনকারীরা।