এ ঘটনার পর রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ৪ মার্চ রাত থেকে ছাত্ররা ধরনায় বসেন এবং অরবিন্দ ভবনের সামনে প্রতিবাদ জানাতে থাকেন। আন্দোলনকারীরা উপাচার্য ভাস্কর গুপ্তকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার জন্য সময়সীমা নির্ধারণ করেন এবং শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর বিরুদ্ধে ‘হিট অ্যান্ড রান’ মামলা দায়েরের দাবি তোলেন।
গত ২৮ অগস্ট হাইকোর্টে শুনানি শেষ হয়। সেখানেই মেধাতালিকা প্রকাশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। বলা হয় চার সপ্তাহের মধ্যে মেধাতালিকা প্রকাশ করতে হবে। নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছে রাজ্য সরকার।
প্রসঙ্গত হুগলি একটি জেলে যাবজ্জীবন কারাবন্দি রয়েছেন এই মাওবাদী নেতা অর্ণব দাম। এবং এই জেলবন্দি থাকা অবস্থায় আইআইটি খড়গপুরে প্রাক্তন ছাত্র ফের পড়াশোনা শুরু করেন। সম্প্রতি ইতিহাস নিয়ে গবেষণা করতে চেয়ে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনও করেন তিনি। এই পরীক্ষায় প্রথমও হয় অর্ণব।
পদ হারানোর পর থেকে তিনি গাইছিলেন সত্যজিৎ রায়ের 'হীরক রাজার দেশে' সিনেমার 'দিয়ে শাস্তি, রাজা কখনও সোয়াস্তি পাবে কি?', আর বৈঠকের পরেই তাঁর গলায় শোনা গেল 'আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে!'
বাংলার শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আজ, ২২ এপ্রিল ঐতিহাসিক রায় দিল কলকাতা হাই কোর্ট। বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি মহম্মদ শাব্বার রশিদির বিশেষ ডিভিশন বেঞ্চ মোট ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের চাকরি বাতিল করলেন।
উল্লেখ্য,তাঁর অভিমান ভাঙাতে রবিবার গিয়েছিলেন মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক। সোমবার সকালে যাচ্ছেন রাজ্যের অপর মন্ত্রী ব্রাত্য বসু এবং রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষ। এই অনুরোধ-এর ঢেউয়ের মুখে তাপস তাঁর ইস্তফার সিদ্ধান্তে অনড় থাকবেন কি না, সেটাই দেখার।