ধীরে ধীরে স্বাভাবিকের পথে এগাচ্ছে বালেশ্বরের বাহানাগা। তবে এখনও পর্যন্ত এই ঘটনার রেশ কাটেনি। এখনও কাটেনি আতঙ্ক! রীতিমত যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শেষ হয়েছে উদ্ধারকাজ। দুর্ঘটনাস্থল থেকে দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া কামরাগুলি সরানো হয়েছে। নতুন করে শুরু হয়েছে ট্রেন চলাচল। এহেন পরিস্থিতিতে প্রাথমিক ভাবেই পরিষেবা চালু হলেও এখনও দায়িত্ব শেষ হয়নি বলেই জানিয়েছেন রেলমন্ত্রীর।
অবশেষে প্রায় ৩০ ঘণ্টা যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শেষ হয়েছে বালেশ্বরে দুর্ঘটনাস্থলের উদ্ধারকাজ। ইতিমধ্যেই দুর্ঘটনাস্থল থেকে দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া কামরাগুলি সরানো হয়েছে। নতুন করে শুরু হয়েছে ট্রেন চলাচল। কিন্তু ওই অভিশপ্ত রাতের বিভীষিকা এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেননি অনেকেই। এখনও কাটেনি আতঙ্ক! এই মুহূর্তে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন করমণ্ডলের দুই চালক। এখন কেমন আছেন তাঁরা?
বিকল্প পথ দিয়ে কার্যত হন্যে হয়ে ছুটোছুটি করছেন ফিরে আসার জন্যে আটকে পড়া যাত্রীরা। এদিকে নবীন পট্টনায়েকের ওড়িশা সরকার আটকে থাকা যাত্রীদের কলকাতায় ফিরে আসার জন্যে বিনামূল্যে বাস পরিষেবা চালু করেছে।
করমণ্ডল এক্সপ্রেস, হামসফর এক্সপ্রেস, মালগাড়ির মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘাতের অভিঘাত এতটাই বেশি ছিল যে করমণ্ডল মালগাড়ির উপরে উঠে যায়। লাইনচ্যুত হয় ২১ টি কামরা। অন্যদিকে হামসফর এক্সপেসের একাধিক কামরা লাইনচ্যুত হয়। দুর্ঘটনায় প্রাণহানি হয়নি ট্রেন চালকদের। কিন্তু শুক্রবার রাত দুর্ঘটনার মুহূর্তে ঠিক কি হয়েছিল? নিজেই জানালেন যশবন্তপুর এক্সপ্রেসের চালক।