নজরবন্দি ব্যুরো: গত শুক্রবার রাতে করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল। শনিবার বেলা গড়াতেই মর্মান্তিক এই ট্রেন দুর্ঘটনার চিত্র সামনে আসতেই শিউড়ে ওঠে গোটা দেশ। কিন্তু কিভাবে এবং কেন এই ভয়াবহ পরিণতি। দুর্ঘটনার ৪৮ ঘন্টার মধ্যে সাংবাদিক বৈঠকে এসে এই বিষয়ে সমস্ত অস্পষ্টতা নিরসনের চেষ্টা করল কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রক।


রবিবার সাংবাদিক বৈঠকে এসে রেল মন্ত্রক থেকে জানানো হয়, শুধুমাত্র করমণ্ডল এক্সপ্রেসই দুর্ঘটনার কবলে পড়়েছে। তিনটি ট্রেনের দুর্ঘটনার কবলে পড়ার তথ্য সঠিক নয়। প্রাথমিকভাবে তথ্য উঠে আসছিল তিনটি ট্রেনের দুর্ঘটনা ঘটে। কিন্তু এদিন মন্ত্রক এই তথ্য উড়িয়ে দিয়েছে। মন্ত্রকের তরফ থেকে রেলওয়ে বোর্ডের সদস্য জয়া বর্মা সিনহা বিবৃতি প্রকাশ করে সমস্ত অস্পষ্টতা দূর করার চেষ্টা করেছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘একাধিক ট্রেন দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে এই ধারণা একেবারে ঠিক নয়। একটি ট্রেনের দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা হল করমণ্ডল এক্সপ্রেস। এই ট্রেনটি কোনও নির্দিষ্ট কারণবশত দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল। আপ লুপ লাইনে মালগাড়িটি দাঁড়িয়েছিল। তারসঙ্গে করমণ্ডলের ধাক্কা লাগে এবং মালগাড়িটির উপর ইঞ্জিন উঠে যায়।‘ তবে এই বিবৃতিতে এটা স্পষ্ট হয়নি সঠিক কি কারণে করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল।



রেলের তরফ থেকে দেওয়া বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, ‘ট্রেনটি ফুলস্পিডে ছিল। ট্রেনটির কোচগুলি এলইচবি কোচ ছিল। সাধারণত এই ধরনের কোচগুলি বেশি সুরক্ষিত হয়। কিন্তু, মালগাড়ির সঙ্গে ধাক্কা লাগে এবং তার প্রভাব পড়ে বগিগুলিতে।‘ রেল জানিয়েছে, করমণ্ডল এক্সপ্রেসের কিছু বগি এদিক ওদিক ছড়িয়ে পড়ে এবং তা ডাউন মেন লাইনে চলে আসে। এরপর তা ধাক্কা লাগে।‘
শুধুমাত্র করমণ্ডল এক্সপ্রেসই দুর্ঘটনার কবলে পড়়েছিল, জানিয়ে দিল রেল মন্ত্রক

এদিন রেলের তরফে সাংবাদিক বৈঠকে বলা হয়েছে, ‘রেলের হেলপ লাইন নম্বর ১৩৯ সবসময় চালু রয়েছে। সেখানে রেলের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা রয়েছেন এবং যথাসম্ভব মানুষের কাছে পৌঁছে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। যাঁরা ওই ট্রেনে ছিলেন তাঁদের পরিবারের সদস্যরা আমাদের যোগাযোগ করতে পারেন। আমরা চেষ্টা করব তাঁদের নিকটজনের সঙ্গে মিলিত করার। তাঁদের যাতায়াতের খরচ এবং অন্যান্য খরচ আমরা বহন করব।‘







