নজরবন্দী ব্যুরো: গত শুক্রবার কী ভাবে ঘটেছিল বালেশ্বরের ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা? ট্রেন চালকের গাফিলতি? সিগন্যালিং সিস্টেমের ব্যর্থতা না কি অন্য কোনও কারণে ঘোতেছিল এই মর্মান্তিক পরিণতি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুর্ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে অ্যান্টি কলিশন সিস্টেম না থাকা নিয়েও ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছিলেন। এবার রেল দুর্ঘটনার কারণ নিয়ে মুখ খুললেন খোদ রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।
আরও পড়ুন:Coromandel Express-এ দুর্ঘটনায় জেরে আজও বহু ট্রেন বাতিল, রইল তালিকা


রবিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘রেল দুর্ঘটনার আসল কারণ চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে। কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটি বালেশ্বর ট্রেন দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করে দেখেছেন। কারা এই দুর্ঘটনার জন্য দায়ী এবং ঠিক কী কারণে এই ঘটনা ঘটেছে তা জানা গিয়েছে।‘
রেলমন্ত্রীর কথায়, ‘ইলেকট্রনিং ইন্টারলকিং সিস্টেম পরিবর্তনের কারণেই এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। আপাতত আমাদের প্রথম কাজ এই ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা এবং রেল পরিষেবা স্বাভাবিক করা। সেই লক্ষ্যেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চলছে।’ দুর্ঘটনাগ্রস্ত করমণ্ডল এক্সপ্রেসের সমস্ত কামরাগুলিই ছিল আধুনিক এবং নিরাপদ এইচএলবি কোচ। দুর্ঘটনার পর এমনই দাবি করেছেন রেলমন্ত্রী। অথচ এতকিছুর পরেও এমন মারাত্মক দুর্ঘটনা প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে রেলের সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে।



কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটির প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, বেঙ্গালুরু-হাওড়া সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস, করমণ্ডল এক্সপ্রেস এবং মালগাড়িটি তিনটি আলাদা ট্র্যাকে ছিল। বালেশ্বর জেলায় বাহানাগা বাজার স্টেশনের কাছে এই মারাত্মক সংঘর্ষের জেরে তিনটি ট্রেন মিলিয়ে মোট ১৭টি বগি লাইনচ্যুত হয়।
বালেশ্বরে রেল দুর্ঘটনার আসল কারণ সামনে আসল, রেলমন্ত্রী নিজেই জানালেন সত্যটা

অসমর্থিত সূত্রে খবর, করমণ্ডল এক্সপ্রেসকে গ্রিন সিগন্যাল দেওয়া হয়েছিল সংশ্লিষ্ট মেনলাইনে যাওয়ার জন্য। এরপর সিগন্যালটি তুলে নেওয়া হয়। কিন্তু ট্রেনটি লুপ লাইনে প্রবেশ করে এবং সেখানে দাঁড়ানো মালগাড়িতে ধাক্কা দেয়। ইঞ্জিনটি উঠে যায় মালগাড়ির ওপর। ওই সময় ডাউন লাইনে যশবন্তপুর সুপার ফার্স্ট এক্সপ্রেস চলে আসে এবং তার দুটি বগিও লাইনচ্যুত হয়।







