জবাবে গঙ্গাধর বলেন, ‘‘শুভেন্দুদার নির্দেশেই আমরা এই কাজ করেছি। উনি আমাদের সাহায্য করেছেন। শুভেন্দুদা বলেছেন, এটা না করলে, তাবড় তাবড় লোকদের গ্রেফতার করানো যাবে না। আমরাও ওখানে দাঁড়াতে পারব না।’’
যে প্রেস রিলিজে কুণালকে সরিয়ে দেবার কথা জানা যায়, সেখানে দলের তরফে স্বাক্ষর করেন ডেরেক ও'ব্রায়েন। যাকে কুণাল 'কুইজ মাস্টার' বলছেন। এমনকি ডেরেক 'পিওন'-এর কাজ করেছে বলে কটাক্ষও করেন তিনি।
গত লোকসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে খাটা খুলতে পারেনি তৃণমূল কংগ্রেস। অধিকাংশ আসনই বিজেপির ঝুলিতে যায়। একুশের বিধানসভা নির্বাচনেও উত্তরবঙ্গ থেকে হতাশাই প্রাপ্তি হয়েছে শাসক দলের। তবে এই নির্বাচনে খেলা ঘোরাতে মরিয়া তৃণমূল নেতৃত্ব।
২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে করোনার সময় এই বাংলা বিরোধী বিজেপি বাংলার মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়ে আট দফায় নির্বাচন করেছিল। ২৪-এ যেখানে তামিলনাড়ু, তেলেঙ্গানা, অসমে এক-দু দফায় ভোট হচ্ছে। সেখানে বাংলায় সাত দফায় নির্বাচন করছে, যাতে বহিরাগত পরিযায়ী পাখিরা বাংলায় এসে প্রচার করতে পারে।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর লস্কর জঙ্গির নজরদারি ইস্যুতে রাজ্যে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এরপরই নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে অভিষেক ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তবে এই নিরাপত্তাহীনতার দায় তাঁদের উপরেই চাপালেন দিলীপ ঘোষ।
রিপোর্ট অনুযায়ী, এই রাজারাম রেগ কলকাতায় এসেছিল কয়েকদিন আগেই। শেক্সপিয়ার সরণির একটি হোটেলে থাকছিল সে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর পি এর মোবাইল নম্বর জোগাড় করার চেষ্টায় ছিল সে। পরে কলকাতা পুলিশ তদন্তে নেমে মুম্বই থেকে গ্রেফতার করে তাকে।
বালুরঘাটের তৃণমূল প্রার্থী তথা রাজ্যের মন্ত্রী বিপ্লব মিত্রের সমর্থনে রোড-শো করলেন তৃণমূল সেকেন্ড-ইন-কম্যান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তাঁকে দেখতে ইটাহারে বিপুল জনসমাগম হয়।