শেষ হয়েছে লোকসভা নির্বাচনের চতুর্থ দফা। আগামী ২৫ মে ষষ্ঠ দফায় পুরুলিয়ায় ভোটগ্রহণ। তার আগে শিমূল-পলাশের দেশে জনসভা করলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
চতুর্থ দফা লোকসভা নির্বাচনের আগের দিন বাংলার নানান প্রান্তে চলল জমজমাট প্রচার। একদিকে যেমন চার জায়গায় সভা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, ঠিক সেরকমই রবিবাসরীয়...
এদিন বীরভূমের তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায়ের সমর্থনে রামপুরহাটের বিনোদপুর মাঠে জনসভা করার কথা ছিল অভিষেকের। এরপর বর্ধমান পূর্বের শর্মিলা সরকারের সমর্থনেও রামপুরহাটের বিনোদপুর মাঠে সভা করার কথা ছিল তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কম্যান্ডের।
যদিও এই ভাইরাল ভিডিও ভুয়ো বলে দাবি করেছে বিজেপি। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, “কয়লা ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও আইপ্যাক সংস্থার মদতে এই ধরনের ভিডিও তৈরি হয়েছে। সন্দেশখালির আন্দোলন থেকে দৃষ্টি ঘোরানোর জন্যই এই পরিকল্পনা এঁটেছে তৃণমূল।”
সন্দেশখালির তিনজন তৃণমূল নেতাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত আগেই নিয়েছে তৃণমূল। তাঁদের কি এবার দলে ফেরানো হবে? শনিবার কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এ বিষয়ে ওয়ার্কিং কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে। ওঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার আগে আরেকটু যাচাই করে নিলে ভালো হতো।“
“গত ১০০ দিন ধরে শুধুই সন্দেশখালি সন্দেশখালি করছে। প্রধানমন্ত্রীর মুখে আর কোনও কথা নেই। আজ সব প্রমান হয়ে গেল। নিম্ন মানের রাজনীতি করে বাংলার বদনাম করল বিজেপি। আমি অবাক। মিথ্যে ভাবে আন্দোলনকে দাঁড় করানো যায় না।” সরব অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।