রাজভবনের এক অস্থায়ী মহিলা কর্মচারী রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ এনেছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল রাজ্য-রাজনীতি। এবার নির্বাচনী জনসভা থেকে সেই বিষয়ে সুর চড়ালেন ডায়মন্ড হারবারের বিদায়ী সাংসদ তথা তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কম্যান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর মতে, এই ঘটনায় সুপ্রিম কোর্টে মামলা করা উচিৎ রাজ্য সরকারের।
আরও পড়ুন: কসবায় ফ্ল্যাট, শান্তিনিকেতনে বাড়ি, কোটি টাকার মালিক লাল ঝান্ডার হোলটাইমার সৃজন!


গত ২ মে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ আনেন এক তরুণী। তিনি হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগও দায়ের করেন। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনার পর থেকে নড়েচড়ে বসেছে রাজভবন। অস্থায়ী কর্মীদের কাজের বিষয়ে পর্যালোচনা শুরু হয়েছে। তদন্ত শুরু করেছে কলকাতা পুলিশ। তদন্তকারী দল ইতিমধ্যেই দু’বার রাজভবন ঘুরে গিয়েছে। রাজভবনের ছ’জন কর্মচারীকে এই সংক্রান্ত বিষয়ে নোটিস ধরানো হয়েছে।

শ্লীলতাহানি বিতর্কে ১ ঘণ্টা ৯ মিনিটের ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ্যে এনেছে রাজভবন। ঘটনার দিন বিকেল ৫টা ৩২ মিনিট থেকে ৬টা ৪১ মিনিটে পর্যন্ত প্রকাশিত সিসিটিভি ফুটেজে তা দেখা গিয়েছে।তবে সেই ফুটেজে দেখা যায়নি রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে। রাজভবনের মেন গেট ও নর্থ গেটের ক্যামেরার ফুটেজ দেখানো হয়েছে। সেখানকার একটি ফুটেজে দেখা গিয়েছে যিনি অভিযোগ করেছিলেন সেই মহিলা ৫টা বেজে ৩২ মিনিটে পুলিশের একটি রুমে যাচ্ছেন।



সেখান থেকে প্রায় ৫টা ৪০মিনিটে তিনি পাশের একটি রুমে যাচ্ছেন। একটি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে হন্তদন্ত হয়ে ওই তরুণী প্রথমে রাজভবনের ওসির ঘরে যাচ্ছেন। সেখান থেকে বেরিয়ে তিনি অ্যাডিশনাল ওসির ঘরে যান। তবে একটি কনফারেন্স রুমে শ্লীলতাহানি করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছিল।

ক্ষমতা থাকলে চেম্বারের ফুটেজ দেখাক! শ্লীলতাহানি মামলায় রাজ্যপালকে ‘সুপ্রিম’ হুঁশিয়ারি অভিষেকের
এই ফুটেজ প্রসঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধায়ের বক্তব্য, ‘‘বাইরের ফুটেজ দেখিয়ে কী হবে? ক্ষমতা থাকলে রাজ্যপাল তাঁর করিডর, চেম্বারের ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ্যে আনুন। আমার বিরুদ্ধে যদি কোনও অভিযোগ ওঠে আর আমি যদি তা খারিজ করতে ভিডিও সামনে আনি, তা হলে সমস্ত ফুটেজ আনব। কিন্তু রাজ্যপাল শুধু বাইরের ভিডিয়ো প্রাকাশ্যে এনেছেন। এ তো পুরো নাটক।’’








