তৃণমূলের একক লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত রাজ্য রাজনীতির দৃষ্টিকোণ থেকে একটি বড় পরিবর্তন বলে মনে করা হচ্ছে। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের সাথে জোটের সম্ভাবনা একেবারে খারিজ হয়ে গেলো এবং তৃণমূলের একক লড়াইয়ের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলো।
অভিষেকের আইনজীবী সঞ্জয় বসু মেটাকে পাঠানো নোটিসে পূর্ব এবং বর্তমান ‘স্ক্রিনশট’ দিয়ে বিষয়টির প্রমাণও দিয়েছেন। এই ঘটনায় রাজনৈতিক আলোচনার তুঙ্গে, এবং মেটা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আরও কিছু প্রশ্ন উঠছে।
তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দলের সংগঠনগুলোকে আরো শক্তিশালী এবং কার্যকরী করার লক্ষ্যেই এই পরিবর্তনগুলি করা হচ্ছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশনায় শাখা সংগঠনের নেতৃত্বে পরিবর্তন আসবে এবং সকল স্তরের নেতার দায়িত্বে পরিবর্তন করা হতে পারে।
বিহারের নির্বাচনী প্রেক্ষাপটে সেখানে বরাদ্দের পরিমাণ বেশি হলেও বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বঞ্চনার অভিযোগ উঠেছে। এখন সময় আসবে যে, আগামী দিনে বিজেপি এবং তৃণমূলের মধ্যে এই রাজনৈতিক বিতর্ক কিভাবে অগ্রসর হয়, তা দেখার বিষয়।
তৃণমূলে অভিষেক-ঘনিষ্ঠ নেতাদের ‘ক্যামাক স্ট্রিটের লোক’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। দলের নীতি নির্ধারণে ক্যামাক স্ট্রিটের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা চলছে। যদিও মমতার সাম্প্রতিক বার্তা স্পষ্ট করেছে, দলের নিয়ন্ত্রণ থাকবে কালীঘাটের হাতেই।
শান্তনুর আরও বক্তব্য, ‘‘আমি বুঝেই উঠতে পারছি না, দলের বিরুদ্ধে কী করলাম! সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দলের কথা ভেবেছি। পেশার (ডাক্তারি) কাজের বাইরে কেবল তৃণমূলের কাজ করেছি। তার পরেও কেন এই পদক্ষেপ করা হল বুঝতে পারছি না।’’
সাংগঠনিক রদবদল হবেই। যারা দলের জন্য কাজ করেছেন, তাদের চিন্তা করার কিছু নেই। গাছের পরিচয় তার ফলে। আমি কত দক্ষ বা অভিজ্ঞ, তা ভোটের ফলই প্রমাণ করবে। জানালেন অভিষেক