‘মুখ্যমন্ত্রীর জন্যেও ডাক্তার জোগাড় করে দেব…’ শাস্তি পেয়ে বিস্ফোরক শান্তনু একি বলছেন!!

শান্তনুর আরও বক্তব্য, ‘‘আমি বুঝেই উঠতে পারছি না, দলের বিরুদ্ধে কী করলাম! সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দলের কথা ভেবেছি। পেশার (ডাক্তারি) কাজের বাইরে কেবল তৃণমূলের কাজ করেছি। তার পরেও কেন এই পদক্ষেপ করা হল বুঝতে পারছি না।’’

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরমহলে এক নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। দলীয় নেতা এবং রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ শান্তনু সেনের বিরুদ্ধে শৃঙ্খালারক্ষা কমিটি কঠোর পদক্ষেপ নিলেও, এই পদক্ষেপের পিছনে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘প্রভাব’ থাকাকে কেন্দ্র করে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। শান্তনু সেন, যিনি দলের মধ্যেই ‘অভিষেক-ঘনিষ্ঠ’ হিসেবে পরিচিত, এই পদক্ষেপের পর তৃণমূলের অন্দরমহলে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

বাংলার প্রথম সারির সংবাদপত্র আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, শান্তনু সেনের বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপের পর দলের এক প্রথম সারির নেতা জানিয়ে দিয়েছেন যে, “শান্তনু দলের তরফে চিকিৎসক সংগঠনের নেতা ছিলেন। দল তাঁকে সেই দায়িত্ব দিয়েছিল। কিন্তু তিনি দলকে না জানিয়ে ওই পদ ব্যবহার করে চিকিৎসকদের এক জায়গায় এনে একটি নির্দিষ্ট কর্মসূচি আয়োজন করেছেন।” তার এই আচরণ দলীয় শৃঙ্খলার প্রতি অশ্রদ্ধা হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা দলের মধ্যেও বিভাজন সৃষ্টি করেছে।

শাস্তির পরেও শান্তনু অবশ্য ‘সেবাশ্রয়’ কর্মসূচির সঙ্গে জড়িত থাকাকে ‘অন্যায়’ বলে মনে করছেন না। তাঁর কথায়, ‘‘আমি দীর্ঘ দিন ধরে চিকিৎসক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। এ বারেও আইএমএ-র নির্বাচনে সিপিএম-বিজেপি এবং আমাদের দলেরও একটি অংশের সঙ্গে লড়ে জিতেছি। এর আগে যেখানে যেখানে আমাদের চিকিৎসা পরিষেবা দিতে বলা হয়েছে, যেমন আয়লা বা বুলবুল বা আমপানের সময়ে, আমরা ঝাঁপিয়ে পড়েছি।

তাঁর প্রশ্ন, “ফলে ‘সেবাশ্রয়’-এর জন্য কয়েক জন চিকিৎসককে জোগাড় করে দেওয়ায় অন্যায় কোথায়?’’ বস্তুত, এক ধাপ এগিয়ে শান্তনু বলেছেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী যে ২৪ তারিখ চিকিৎসকদের নিয়ে সমাবেশ করবেন, সেখানেও আমি আমার পরিচিত চিকিৎসকদের যেতে বলব।’’ পাশাপাশিই তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ‘‘আমি তো বুঝতেই পারছি না, দলবিরোধী কী কাজ করলাম!’’

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত