রামমন্দিরের রামলালার বিগ্রহটির ওজন ১৫০-২০০ কেজি। সেখানে দন্ডায়মান অবস্থায় দেখানো হয়েছে রামলালাকে। বিগ্রহের উচ্চতা ৫১ ইঞ্চি। অরুণ যোগীরাজ অযোধ্যায় গত ছয় থেকে সাত মাস থেকে দৈনিক প্রায় ১২ ঘণ্টা করে কাজ করে অদ্ভুত সুন্দর এই বিগ্রহটি তৈরি করেছেন।
পুজো দেওয়া প্রসঙ্গে সামাজিক মাধ্যমে সুকান্ত মজুমদার লিখেছেন, "৫০০ বছরের প্রতীক্ষার হলো অবসান, অযোধ্যার ভূমিতে প্রতিষ্ঠিত হলেন প্রভু শ্রী রাম। রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠা উপলক্ষ্যে বালুরঘাটে প্রভু রামের পূজোয় উপস্থিত ছিলাম। জয় শ্রী রাম।"
১২টা ২৯ মিনিট ছিল সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। হিন্দুশাস্ত্র মেনে মাত্র ৮৪ সেকেন্ড নির্ধারণ করা হয় প্রাণপ্রতিষ্ঠার জন্য। একে বলা হয় 'অভিজিৎ' মুহূর্ত। কি এমন তাৎপর্য রয়েছে এই মুহূর্তের?
পাল্টা, এভিবিপি (AVBP) নেতা দেবাঞ্জন পাল বলেন, “যাদবপুরে (Jadavpur University) র্যাগিং করা কিছু ছাত্রছাত্রী রাম মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠার স্ক্রিনিং আটকাতে চাইছে। রাম মন্দির শুধু হিন্দু নয়, গোটা দেশের আবেগ। সবাই রাম মন্দিরের জয়গান করছে। সেখানে র্যাগিং করা যাদবপুরের কয়েকজন কম বয়সী ছেলে স্ক্রিনিং আটকাতে পারবে না।”
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থাকার জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং সমাজের উচ্চ স্তরের ব্যক্তিদের ইতিমধ্যেই আমন্ত্রন জানানো হয়েছে। রাম মন্দির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে কী হাজির থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী?