দীর্ঘ ৫০০ বছরের বিতর্কের অবসান। অযোধ্যায় রামমন্দিরের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠাও হল তাঁর হাত ধরেই। রামমন্দিরের উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে উদ্বেলিত গোটা দেশ। আর রামমন্দির উদ্বোধনের দিন বালুরঘাটে রামের পুজো দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।
আরও পড়ুন: দক্ষিণে মমতা, উত্তরে শুভেন্দু, হাইভোল্টেজ সোমবারে ব্যাপক যানজটের আশঙ্কা মহানগরে


রামমন্দিরের উদ্বোধনের দিন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার লস্করহাটে শোভাযাত্রায় বেরোন সুকান্ত মজুমদার। ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে এলাকা। শোভাযাত্রায় সুকান্তর সঙ্গে হাঁটেন কয়েক হাজার বিজেপি কর্মী-সমর্থক। এরপরই রামের পুজো দেন বালুরঘাটের সাংসদ।

পুজো দেওয়া প্রসঙ্গে সামাজিক মাধ্যমে সুকান্ত মজুমদার লিখেছেন, “৫০০ বছরের প্রতীক্ষার হলো অবসান, অযোধ্যার ভূমিতে প্রতিষ্ঠিত হলেন প্রভু শ্রী রাম। রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠা উপলক্ষ্যে বালুরঘাটে প্রভু রামের পূজোয় উপস্থিত ছিলাম। জয় শ্রী রাম।” আজ আবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে কলকাতায় একটি মিছিল বের করে বিজেপি।



অযোধ্যায় মোদীর হাতে রচিত হল নতুন ইতিহাস, বালুরঘাটে রামের পুজো দিলেন সুকান্ত
অন্যদিকে, অযোধ্যার রামমন্দিরে দুপুর ১২টা ০৫ থেকে ১২টা ৫৫ পর্যন্ত দীর্ঘ ৫০ মিনিট ধরে পুজো দেন নরেন্দ্র মোদী। ১২টা ২৯ মিনিটে ‘অভিজিৎ’ মুহূর্তে রামলালার বিগ্রহের প্রাণপ্রতিষ্ঠা করলেন নরেন্দ্র মোদী। গর্ভগৃহে মোদীর সঙ্গে ছিলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। উদ্বোধনের পর মোদী বলেন, আজকের তারিখ থেকে নতুন ইতিহাসের সূচনা হল। পাশাপাশি, এত বিলম্ব হওয়ায় ‘প্রভু’ রামের কাছে ক্ষমাও চেয়ে নেন প্রধানমন্ত্রী। সব মিলিয়ে, রামমন্দিরের উদ্বোধনে খুশির হাওয়া গেরুয়া শিবিরে।








