ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে কাশ্মীর ইস্যুতে উত্তেজনা অব্যাহত। তবে ভারত স্পষ্ট করে বলেছে, কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদ ও মিথ্যা প্রচারের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দিয়েছে।
ভারতীয় প্রতিনিধির এই বক্তব্যে পরিষ্কার হয়ে যায় যে, জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং সেখানে পাকিস্তানের উপস্থিতি শুধুমাত্র অবৈধ দখলদারিত্বের একটি উদাহরণ।
গ্রহাণুর এই বিপদের মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক মহাকাশ সংস্থাগুলিকে একযোগে কাজ করার পরামর্শ দিয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। তবে, গ্রহাণুর আঘাত ঠেকানোর জন্য এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পরিকল্পনা তৈরি করা হয়নি।
পাকিস্তানিদের জন্য ভিসা সহজ করার সিদ্ধান্তের আগে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠক করেন পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সৈয়দ আহমেদ মারুফ। তারপরেই এই ভিসা সংক্রান্ত নির্দেশ জারি করা হয়।
পাক সরকারের উপরে প্রতিনিয়ত চাপ বেড়ে চলেছে। তাই অনেকেই মনে করছেন যেকোনো সময় পাকিস্তানের গণঅভ্যুত্থান দেখা দিতে পারে। আর তার ফলেই তিন টুকরে পরিণত হতে পারে আমাদের এই প্রতিবেশী রাষ্ট্র।
মঙ্গলবারই সংসদে বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী একটি প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন সর্বদলীয় বৈঠকে। তিনি কেন্দ্রকে প্রশ্ন করে, বাংলাদেশের এই পরিস্থিতির নেপথ্যে কি পাকিস্থানের কোনও হাত রয়েছে? জবাবে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানান, এ বিষয়ে তদন্ত করতে দেখবে ভারত সরকার।
মঙ্গলবার বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে একটি সর্বদলীয় বৈঠক ডাকে কেন্দ্র সরকার। সেখানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ, সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু প্রমুখ। এই বৈঠকে কেন্দ্র সরকারের কাছে তিনি তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন রাখার পাশাপাশি আগামী দিনে ভারতের বিদেশনীতি কী হতে চলেছে তা জানতে চাইলেন কংগ্রেস সাংসদ।