নজরবন্দি ব্যুরোঃ ২৪ ঘন্টার ডেডলাইন পেরিয়ে ৭২ ঘন্টা শেষ! শুভেন্দু অধিকারী ৭২ ঘন্টা আগে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দলত্যাগী মুকুল রায় বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা না দিলে বিধানসভার অধ্যক্ষের কাছে তাঁর বিধায়ক পদ খারিজের আবেদন জানাবে বিজেপি। প্রয়োজনে আদালতে যাওয়ার কথাও বলেন তিনি। এসব শুনে এদিকে তৃণমূলের তরফ থেকে সাফ জানানো হয়েছে দরকারে সম্মুখ সমরে যাবে দল। আর সব কিছুর মাঝে শুভেন্দুর হুঁশিয়ারিকে পাত্তা না দিয়ে মুকুল বাড়িয়ে দিয়েছেন বিজেপির ঘর ভাঙার জল্পনা।
আরও পড়ুনঃ তৃণমূল বিধায়কদের দলীয় চাঁদা এক লাফে দ্বিগুণ করল দল!


এদিকে, দলত্যাগ বিরোধী আইন প্রয়োগের হুঁশিয়ারি দেওয়ার প্রায় ৭২ ঘণ্টা পর বৃহস্পতিবার মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজের আবেদন নিয়ে বিধানসভায় গিয়েছিলেন শুভেন্দু। কিন্তু, দিনের শেষে হতাশ হয়ে ফিরতে হয় বিরোধী দলনেতাকে। সূত্রের খবর, মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের আবেদন জানিয়ে আজ বিধানসভার অধ্যক্ষের কাছে চিঠি দিতে যান শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু তখন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন না। এমনকি তার দফতরের রিসিভিং বিভাগেরও কেউ উপস্থিত ছিলেন না। তাই চিঠি আর দেওয়া হয়নি শুভেন্দুর।
২৪ ঘন্টার ডেডলাইন পেরিয়ে ৭২ ঘন্টা শেষ! এদিকে অধ্যক্ষকেও চিঠি দেওয়া হল না। এবার কি করবেন বিরোধী দলনেতা? বিজেপি সূত্রে খবর, আগামিকাল আবার মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজের আবেদন জানিয়ে এই চিঠি দিতে বিধানসভায় যাবেন শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু আগামীকালও যদি অনুপস্থিত থাকেন অধ্যক্ষ?
শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, আগামীকালও দফতর বন্ধ থাকলে তিনি বিধানসভার স্পিকারকে ই-মেল মারফত আবেদন জানাবেন। এদিন শুভেন্দু বলেন, ‘‘মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের দাবিতে সব প্রক্রিয়া শেষ। আজ বিধানসভার রিসিভিং সেকশন বন্ধ ছিল। কাল সকাল ১১টায় ফের বিধানসভায় যাওয়া হবে। কালও রিসিভিং সেকশন বন্ধ থাকলে অধ্যক্ষকে ই-মেল করে আবেদন পাঠানো হবে।’’


এদিকে তৃণমূল সূত্র বলছে, এখনই বিধায়ক পদ ছাড়ছেন না মুকুল। আপাতত ২ জুলাই বিধানসভা অধিবেশনে যোগ দেবেন তিনি। উল্লেখ্য, একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির টিকিটে কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে জিতে বিধায়ক হয়েছেন মুকুল রায়।







