নজরবন্দি ব্যুরো: তৃণমূল বিধায়কদের দলীয় চাঁদা এক লাফে হল দ্বিগুণ! ২১ এর বিধানসভা ভোটে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে তৃতীয়বারের জন্য নবান্নে প্রবেশ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী হবার পরেই দুটো বড় চ্যালেঞ্জ সামনে এসেছিল করোনার দ্বিতীয় ধাপের বাড়বাড়ন্ত এবং ঘূর্ণিঝড়। এই দুই বিপদ থেকে রাজ্যবাসীকে মুক্ত করতে গিয়ে বেশ কিছুটা সময় ব্যয় করতে হয়েছিল নতুন সরকারকে।
ফলে জৌলুস ছাড়াই শপথ নিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং এরপর ধাপে ধাপে রাজ্যের বিধায়করা শপথ নিয়েছিলেন। কিন্তু তৃণমূল দলের বিধায়কদের এককভাবে এক জায়গায় নিয়ে এসে তাদেরকে সঠিক নির্দেশিকা বা কোন পথে চলতে হবে সেটা করতে একটু সময় লেগে গিয়েছিল। কারণ করো না এবং ঘূর্ণিঝড়ের জন্য বিধায়কদের নিজের নিজের এলাকায় মানুষের কাজে মানুষকে উদ্ধার করবার কাজে শামিল হতে নির্দেশ দিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো


ঘূর্ণিঝড় ক্ষতিগ্রস্থদের সাহায্য পৌঁছে দিয়ে এবং করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আপাতত কিছুটা সামাল দিয়ে এবার দলীয় কাজে মন দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। আর তারই প্রথম ধাপ হিসেবে তৃণমূল বিধায়কদের দলীয় চাঁদা দ্বিগুণ করলেন তৃণমূলের তৃণমূলের পরিষদীয় কমিটি। ২০০১ সাল থেকে তৃণমূল বিধায়কের দলীয় চাঁদা ছিল ১০০০ টাকা যা এখন পর্যন্ত অপরিবর্তিত ছিল কিন্তু এবার সেই চাঁদা দ্বিগুণ করে ২০০০ টাকা করা হয়েছে বলে তৃণমূল সূত্রের খবর।
তৃণমূল বিধায়কদের দলীয় চাঁদা এক লাফে হল দ্বিগুণ! বিধানসভায় তৃণমূলের ২১২ জন বিধায়কের মধ্যে ১৬৫ জনের বেতনের জন্য ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট রয়েছে। এরমধ্যে পাঁচজন পুরনো বিধায়কের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে কিছু সমস্যা রয়েছে। আবার তৃণমূলের টিকিটে জিতে আসা নতুন বিধায়কের সংখ্যা ৪৩। নতুন বিধায়কদের বেতনের অ্যাকাউন্ট এখনও খোলা যায়নি। তাই নতুন সিদ্ধান্তের সঙ্গে ঠিক হয়েছে, করোনা সংক্রমণের পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হলেই বিধায়কদের দ্রুত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলতে বলা হবে। তারপরই গত মে মাস থেকে হিসেব কষে তাঁদের অ্যাকাউন্ট থেকে মাসে ২,০০০ টাকা করে দলীয় তহবিলের জন্য কেটে নেওয়া হবে। বেতন থেকে সরাসরি ওই অর্থ প্রতি মাসে দলের তহবিলে জমা হয়ে যাবে।







