নজরবন্দি ব্যুরোঃ ধর্মঘটের ইস্যু সমর্থন করে, ধর্মঘটকে করে না – মমতার এসব দ্বিচারিতা ধরা পড়ে যাচ্ছে – আক্রমণে সুজন ।২০১১ সালে সরকার গঠনের পর বনধ, ধর্মঘট সম্পর্কে অবস্থান বদল করে তৃনমূল। তারা জানায় রাজ্যে আর কোনো ধর্মঘট তো তারা করবেই না বরং অন্য কোনো দল ডাকলে তাও সফল হতে দেওয়া হবে না। কথা মতই এর আগে বিজেপি ও বামেদের ডাকা ধর্মঘটগুলি ব্যর্থ করতে রাস্তায় নেমেছে মমতার প্রশাসন। সরকারি কর্মীদের অফিসে আসার ফতোয়া জারি হয়েছে।
আরও পড়ুনঃদেশজুড়ে শান্তিপূর্ণভাবেই চলছে বনধ, তাও বনধ সমর্থকদের কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না কঙ্গনা!


মমতার এই নীতি নিয়ে তাকে প্যাঁচে ফেলার চেষ্টা করেছে বামেরা। বিরোধী দলে থাকাকালীন মমতার কথায় কথায় বনধ ডাকার অতীতকে সামনে রেখেও খোঁচা মারতে ছাড়ে না তারা। আর আজ যখন দেশজুড়ে আন্দোলনরত কৃষকদের ডাকে ভারত বনধ পালিত হচ্ছে তখন বেকায়দায় পড়েছে মমতার দল। বিজেপি বিরোধী সমস্ত দল এককাট্টা হয়ে এই ধর্মঘটকে সমর্থন করেছে। তৃনমূল বিজেপি বিরোধী অবস্থান নিয়েও সরাসরি বনধের সমর্থনে যেতে পারছেন না।
মুখ্যমন্ত্রী কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়ে বলেছেন তিনি বনধের ইস্যুগুলোকে সমর্থন করলেও বনধ ডাকাকে সমর্থন করেন না। আর এই সুযোগেই মমতাকে বিঁধছে বাম ও কংগ্রেস। তৃনমূল বিজেপি আঁতাতের পুরোনো অভিযোগ সামনে রেখেই একুশের বিধানসভার আগে মাঠে নামছে তারা। এদিন রাস্তায় নেমে ধর্মঘট সফল করতে গিয়ে মমতা এই প্রশ্নে দ্বিচারিতা করছেন বলে মন্তব্য করেন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী।
কৃষি আইনের প্রতিবাদে আজ দেশজোড়া ধর্মঘটের সমর্থনে সকাল থেকেই যাদবপুরে শুরু হয় মিছিল। নেতৃত্ব দেন বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী। তিনি বলেন, “মানুষ সদর্থক এই ধর্মঘটকে সমর্থন করছেন। যদি কাণ্ডজ্ঞান থাকে, তবে সবাই এই ধর্মঘট সমর্থন করবে। তৃণমূল কংগ্রেস সেটা করেননি। ইস্যু সমর্থন করেন অথচ ধর্মঘট নয়, এটা দ্বিচারিতা।” রাজ্যজুড়েই এই মেজাজেই রাস্তায় নেমেছেন বাম কর্মীরা। তাদের মতে, মোদী মমতা দুজনেই কৃষকদের সাথে বেইমানি করেছে মানুষ তা মনে রাখবে।


ধর্মঘটের ইস্যু সমর্থন করে, ধর্মঘটকে করে না – মমতার এসব দ্বিচারিতা ধরা পড়ে যাচ্ছে – আক্রমণে সুজন ।যদিও আজ এখনও ধর্মঘট ভাঙার জন্য রাজ্যের পুলিশকে তেমন সক্রীয় হতে দেখা যায়নি। বরং কৃষকদের সমর্থনে রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন প্রান্তে মিছিল অবস্থানে নেমেছে তৃনমূল।







