নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে শুরু হয়েছে বিশ্ব বাংলা শিল্প সম্মলেওন। সেখানে দ্বন্দ্ব দূরে রেখে হাঁসিমুখে দেখা গেছে রাজ্যপাল এবং মুখ্যমন্ত্রীকে। এমনকি দুরত্ব মিটিয়ে একে অপরের প্রশংসা করেছেন ওই মঞ্চে। তবে শেষে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যপালের কাছে অনুরোধ করেন, শিল্পপতিদের যেন কেন্দ্রীয় সংস্থা মারফৎ কোনওরকম হেনস্থা না করা হয়। এবিষয়ে সক্রিয় হতে বলেছেন তিনি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তোলপাড় হয়েছে রাজ্য রাজনীতি।


ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিপি(আই)এম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য যুদ্ধ করেন ওরা। রাজ্যপাল মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন। রাজ্যপাল মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন। এর আগে যখন শিল্প সম্মেলন আসে তখন প্রশ্ন আসে সেন্ট্রাল এজেন্সি ধরে নেবে। তাঁর কথায়, নারদা কাণ্ডে যারা হাতে হাতে টাকা নিয়েছেন তাঁরাও তো কেউ এখনও বিব্রত হননি কেন্দ্রীয় সংস্থা দ্বারা, এগুলো তো মুখ্যমন্ত্রী নিজেই ম্যানেজ করেন, হঠাৎ রাজ্যপালকে কেন একথা বললেন বুঝতে পারছি না।

উল্লেখ্য এদিন বিজিবিএসের বক্তব্য শেষে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের উদ্দেশ্যে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে সব রকম সাহায্য আমরাও পেতে চাই। তবে শিল্পপতিদের তরফে রাজ্যপালের কাছেও আমার একটি অনুরোধ আছে। অনুরোধ এই যে, শিল্পপতিদের যেন কেন্দ্রীয় সংস্থা মারফৎ কোনওরকম হেনস্থা না করা হয়। রাজ্যপালও যেন বিষয়টি কেন্দ্রের কানে পৌঁছে দেন।


একইসঙ্গে সুর চড়িয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তিনি বলেন, এই পশ্চিমবঙ্গে কোনও শিল্পের সম্ভাবনা নেই, অথচ রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে যাতে কেউ বলতে পারে সেকারণেই অজুহাত তৈরি করে রাখলেন। শিল্পপতিদের যেন কেউ বিব্রত না করেন, অর্থাৎ সিবিআই, ইডি, এগুলোই তিনি ইঙ্গিত করলেন।
মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য যুদ্ধ করেন ওরা, বিস্ফোরক সুজন

বহরমপুরের সাংসদের কথায়, এতে শিল্পপতিদের কাছে একটা মিশ্র সিগন্যাল গেল, যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে রাজ্যপালের মতের ফারাক আছে দুই জনের মধ্যে দুরত্ব ধরা পড়ল। এটায় একটা ভুল বার্তা গেল শিল্পপতিদের কাছে। শিল্পপতিরা সমাজসেবক নয় তাঁরা আসেন লাভ দেখতে রোজগার দেখতে।







