নজরবন্দি ব্যুরোঃ SSKM-এ ভর্তি সুদীপ-জয়া, গতকাল ত্রিপুরা থেকে ফিরেই রাতের দিকে ভর্তি হন কলকাতার হাসপাতালে। ত্রিপুরায় আক্রান্ত সুদীপের এমআরআই ও সিটি স্ক্যান করা হয়েছে ইতিমধ্যেই। বিষেশ পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি। চিকিৎসা চলছে জয়া দত্তেরও।
আরও পড়ুনঃ দেশে কমেছে সংক্রমণ, কিন্তু ভয় দেখাচ্ছে ডেল্টা প্লাস
ত্রিপুরা তৃণমূলের এই মুহুর্তের টার্গেট হলেও লড়াইয়ে গতি এনেছে আইপ্যাক ইস্যু। তার পর থেকেই একে একে বাংলা থেকে নেতা মন্ত্রীরা গিয়েছেন বিপ্লবের রাজ্যে। ইতিমধ্যেই দু’বার সে রাজ্যে পদার্পণ করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
গত শনিবার সোনামুড়া এলাকায় ছাত্রনেতা সুদীপ রাহার গাড়িতে ইট ছোঁড়া হয়। ঘটনায় মাথা ফাটে তাঁর, আক্রান্ত হন জয়া দত্ত, দেবাংশু ভট্টাচার্য্যও। তার পর থেকেই দফায় দফায় অশান্তি চলতে থাকে ত্রিপুরায়। রবিবার ভোররাতে বিপ্লব সরকারের পুলিশ গ্রেপ্তার করে সুদীপ-দেবাংশু সহ ১৪ জন ছাত্র নেতাকে।
ঘটনার পর আর কাল বিলম্ব করেননি তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। ত্রিপুরায় পৌঁছেই আওয়াজ তোলেন মুক্তির দাবিতে। টানা ৩ ঘন্টা থানায় রণং দেহি মেজাজ নিয়ে বসেছিলেন তিনি। মাঝে বচসায় জড়িয়ে পড়েন পুলিশের সঙ্গে।
তবে তাতেও নিজের দাবি থেকে এক চুল নড়েননি অভিষেক। থানাতেই ফের জ্ঞান হারিয়েছিলেন সুদীপ। তৃণমূল পক্ষের অভিযোগ আক্রান্ত হওয়ার পর নূন্যতম চিকিৎসার সুযোগ পায়নি ঘাসফুল শিবিরের যুবনেতারা। শেষমেশ বেল মেলে ১৪ জনের।
রবিবার রাত থেকেই SSKM-এ ভর্তি সুদীপ-জয়া

গতকাল রাতেই বিশেষ বিমানে ত্রিপুরা থেকে বাংলায় ফিরেছেন তৃণমূলের যুব নেতারা। তার পরেই চিকিৎসার কারণে গতকাল রাতেই এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে সুদীপ রাহা ও জয়া দত্তকে। যুব নেতারা ফিরে এলেও কালীঘাট থেকে ঠিক করে দেওয়া অভিষেকের পঞ্চপান্ডবের ২ জন, কুণাল ঘোষ এবং সমীর চক্রবর্তী এখনো রয়ে গিয়েছেন ত্রিপুরাতেই। আজ দুপুরে সেখানে সাংবাদিক বৈঠোক করবেন তাঁরা। সূত্রের খবর চিকিৎসা করিয়েই ফের বিপ্লবের রাজ্যে আওয়াজ ওঠাতে যাবেন সুদীপ-দেবাংশু।



