নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিধানসভা নির্বাচনের পর যে সমস্ত নির্বাচন, উপনির্বাচন হয়েছে তাতে ভালো সাফল্য পেয়েছে বাম দল বা সিপিআইএম। আর এইবার বালিগঞ্জ বিধানসভা উপ নির্বাচনে বিজেপি কে পিছনে ফেলে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে সিপিএম। আর এই ঘটনাকে বড় সাফল্য বলে মনে করছেন সিপিআইএম নেতৃত্ব থেকে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
আরও পড়ুনঃ বসিরহাটে রহস্যমৃত্যু নৃত্যশিল্পীর, খুন না আত্মহত্যা?


অনেক রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ বলছেন, সিপিআইএমের নেতৃত্তের হাতবদল হতেই নাকি এই সাফল্য। কিছুদিন আগেই সিপিআইএমের রাজ্য সম্পাদক হয়েছেন মোহাম্মদ সেলিম। রাজ্য সম্পাদক হওয়ার পরেই তিনি রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ছুটে গিয়েছেন সংগঠনের কাজ দেখভাল করার জন্য। এছাড়াও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে মোহাম্মদ সেলিম রাজ্য সম্পাদক হওয়ার পরেই সংগঠনের মধ্যে একটা স্পিরিট, উদ্যোগ ও ঝাকুনি দিতে পেরেছেন।

রাজ্যে বিভিন্ন খুন হত্যা ধর্ষণের প্রতিবাদে বামপন্থী যুব সংগঠন পথে নেমেছে। বিশেষ করে আসিন খানের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে তারা আন্দোলন শুরু করেছিলেন। এরপর বাকটুই গণহত্যা কাণ্ডে যখন কেউ সেই গ্রামে প্রবেশ করতে পারেননি প্রথম কিন্তু প্রবেশ করেছিলেন সিপিএমের নয়া সম্পাদক। ফলে সেলিমের নেতৃত্বে রাজ্যের বামপন্থী সংগঠন একটা নতুন বাতাস পেয়েছেন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।



নেতৃত্তের হাতবদল হতেই কি সিপিএমের এই সাফল্য? কি বলছেন বিশেষজ্ঞরা
এছাড়াও বিশেষজ্ঞদের আরো মত বালিগঞ্জ উপনির্বাচনে প্রভাব ফেলেছে রাজ্যের সাম্প্রতিক ঘটনা। যা বাংলার মানুষ তথা বালিগঞ্জের মানুষ হয়তো মেনে নিতে পারেননি। একবছর আগে বালিগঞ্জ কেন্দ্রে জোটের শরিক হিসেবে বামেদের ভোট প্রাপ্তি ছিল মাত্র ৫ শতাংশ, এবার সেই বালিগঞ্জ কেন্দ্রেই বামেদের ভোট প্রাপ্তি ৩০ শতাংশ। তৃণমূলের ভোট গত বিধানসভা নির্বাচনের তুলনায় প্রায় ২২ শতাংশ কমেছে।








