নজরবন্দি ব্যুরো: দিল্লি দখলের লড়াইয়ে পরস্পরের শরিক হিসেবে সমঝোতা হলেও, বাংলায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে লাগাতার আক্রমণ শানিয়েই চলেছে কংগ্রেস। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপিত অধীর রঞ্জন চৌধুরী খোদ চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ শানাচ্ছেন জোড়াফুল শিবিরের বিরুদ্ধে। তার পরেও পাল্টা জবাব দিচ্ছে না তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব।
আরও পড়ুন: ED-র নজরে অভিনেত্রী নুসরত! আগামী মঙ্গলবার হাজিরার নির্দেশ


সেই নিয়েই রাজনৈতিক মহলে তৈরি হয়েছে জল্পনা। যে কেন্দ্রে এক সাথে লড়ার সংকল্প নিয়ে চলা INDIA জোট ঠিক রাখতে তাহলে এবার কী কং রাজ্য সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেবার পরিকল্পনা করছে কং কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব? বর্তমান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরি এই মুহূর্তে লোকসভার বিরোধী দলনেতা ছাড়াও কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। আবার পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা ভোটে নির্বাচন কমিটিতে প্রথম পাঁচজনের মধ্যেও নাম অধীরের।

এই পরিস্থিতিতে তাঁর উপর বাড়তি চাপ কমানোর প্রসঙ্গটি আলোচনায় এসেছে। আবার বঙ্গে তৃণমূলের সঙ্গে আসন সমঝোতা হলে তারও পরিস্থিতি তৈরি রাখতে হবে। তেমন হলে রাজ্যে কট্টর তৃণমূল-বিরোধী ভূমিকা থেকে সরে আসতে হবে কংগ্রেস নেতৃত্বকে। এই প্রসঙ্গেই চলতি বছর দ্বিতীয়বার ঘুরে ফিরে এসেছে প্রাক্তন সভাপতি প্রদীপ ভট্টাচার্যের নাম।



সম্প্রতি জোটের বৈঠকে সনিয়া গাঁধী, রাহুল গাঁধীর পাশেই দেখা গিয়েছে তৃণমূলনেত্রী মমতাকে। রাহুলের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাতের পর জোটে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছেন অভিষেক। প্রকাশ্য মঞ্চে রাহুলকে খুব প্রিয় বলেও উল্লেখ করেছেন মমতা। কয়েক মাস আগেও যেখানে রাহুলের নেতৃত্বদানের ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মমতা-অভিষেক, সেখানে হঠাৎ করে মতবদলের নেপথ্যকারণ নিয়ে নানা ব্যাখ্যা উঠে আসছে।
কেন্দ্রে দোস্তি রাখতে রাজ্যে কী সভাপতির পরিবর্তন কংগ্রেসের? জল্পনা তুঙ্গে

শেষপর্যন্ত যদি নেতৃত্বে বদল হয়ও, সেক্ষেত্রে অধীরের অনুমোদনে তাঁর পছন্দেরই কেউ দায়িত্ব হয়তো পাবেন। তার এই মুহূর্তে সব থেকে বড় কারণ দলে জাতীয়স্তরে অধীরের অবস্থান। এই বিষয়টিকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সব মিলিয়ে মান ও কুল রাখতে গিয়ে কী করবে কং হাই কম্যান্ড সেটাই দেখার।







