নজরবন্দি ব্যুরোঃ এবার নোবেল চুরি তদন্তে সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার রবীন্দ্র সদনে ররীন্দ্রজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল চুরি নিয়ে দুঃখপ্রকাশ করেন তিনি। তবে কেন্দ্র সরকারকে কটাক্ষ করতে বিন্দুমাত্র পিছপা হননি তিনি।
আরও পড়ুনঃ Nobel Prize: ১৮ বছর পরেও নোবেল ফেরাতে ব্যর্থ সিবিআই, ফের সরব শাসক দল


তিনি বলেন, বামফ্রন্ট আমলের ঘটনা। সিবিআই তদন্ত করছিল। তদন্ত প্রক্রিয়া সম্ভবত সিবিআই ক্লোজ করে দিয়েছে। নোবেল উদ্ধারই হল না, এটা লজ্জার। একইসঙ্গে তিনি আরও বলেন, আমরা যেটা পেলাম, সেটা কেউ নিয়ে নিল, হারিয়ে দিল। এটা বড় অসম্মানের। এটা ভীষণ গায়ে লাগে। তবে মনে রাখবেন, একটা নোবেল প্রাইজ গেলেও রবীন্দ্রনাথকে কোনওদিন ভোলা যাবে না। কবিগুরু একজনই হন।

উল্লেখ্য, ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ২০০৪ সালের ২৫ মার্চ শান্তিনিকেতনের উত্তরায়নের রবীন্দ্র জাদুঘর থেকে চুরি যায় নোবেল পুরষ্কার। সেইসঙ্গে চুরি যায় অন্তত ৫০ টি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। ঘটনার ৬ দিনের মাথায় তদন্তের দায়িত্বভার যায় সিবিআইয়ের ওপর। ২০০৭ সালের পর থেকে সিবিআইকে সেভাবে তৎপর দেখা যায়নি। ২০১৫ সালে ঘটনার তদন্তের জন্য দিল্লির অনুমতি চায় রাজ্য।


এখন তৃণমূলের বক্তব্য বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চুরি যাওয়া নোবেল এখনও কেন উদ্ধার করতে পারল না সিবিআই? আর কত বছর অপেক্ষা করতে হবে? তদন্ত ঠিক কোন পর্যায়ে রয়েছে? নোবেল পদক উদ্ধার করতে পারবে সিবিআই? স্পষ্ট করে জানিয়ে দিচ্ছে না কেন? কেন ১৮ বছর পরেও উদ্ধার করা হয়নি? সেই বিষয়ে সরব হয়েছে তৃণমূল।
আমরা যেটা পেলাম, সেটা কেউ নিয়ে নিল, এবার সরব মুখ্যমন্ত্রীও

পাল্টা বিজেপি নেতা রাহুল সিনহার মন্তব্য, তৃণমূলের প্রচার মুখপাত্রে বলা হয়েছে নোবেল পুরস্কার কোথায় গেল? সিবিআই যাতে নোবেল খুঁজে না পায়, তার জন্য সব অসহযোগিতা করেছে রাজ্য সরকার । কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে রাজ্য সরকার তদন্তে বাধা দিয়েছে। আজকে জিজ্ঞাসা করছে নোবেল কোথায়? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খুঁজে দিন। উনি তো বলেছিলেন নোবেল কেউ খুঁজে না পেলে, উনি খুঁজে দেবেন। বাংলার সব চুরির সঙ্গে তৃণমূল জড়িত। নোবেল চুরির সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস জড়িত।







