নজরবন্দি ব্যুরো: অভিনেত্রী তথা বসিরহাটের তৃণমূল সাংসদ নুসরত জাহানের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ এনেছেন বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা। অভিযোগ, ফ্ল্যাট দেওয়ার নাম করে ২৪ কোটি টাকা আত্মসাত করেছেন নুসরত। সোমবার সন্ধ্যাবেলা প্রতারিতদের নিয়ে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দফতরে দেখা যায় শঙ্কুদেবকে।
আরও পড়ুনঃ তাঁর বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ, ঠিক কী বলছেন নুসরত?


আর এই নিয়ে যত তথ্য় প্রকাশ্যে আসছে, ততই রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। কারণ খবরে প্রকাশ যে ব্যাঙ্ককর্মীদের ফ্ল্যাট দেওয়ার নাম করে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগের বিষয়টি অনেক আগেই জেনেছিল গড়িয়াহাট থানা। কিন্তু প্রথমে অভিযোগ নেয়নি থানা।

গত ৩০ জানুয়ারি ৬ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আলিপুর আদালত অভিযুক্ত সংস্থার আট জনকে ২৩ শে ফেব্রুয়ারির দিন হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু তারপরও নুসরত জাহান সেই সমনে হাজিরা দেননি। ৫ এপ্রিল নুসরাত আদালতে নিজের আইনজীবীর মাধ্যমে আবেদন জানান, সশরীরে তাঁর পক্ষে আদালতে হাজিরা দেওয়া সম্ভব নয়। কারণ তিনি ব্যস্ত।



তিনি একজন সংসদ। তিনি বছরের বেশি সময় দিল্লি থাকেন। এছাড়াও কলকাতার বাইরে থাকেন। তাঁর আইনজীবী হাজির থাকবেন। ওই আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত। বিচারক স্পষ্ট নির্দেশ দেন পরবর্তী শুনানির দিন ২৭ এপ্রিল তাঁকে সশরীরে হাজির হতে হবে। সেই সঙ্গে হলফনামা পেশ করতে নির্দেশ।
এক যাত্রায় পৃথক ফল, প্রতারণার অভিযোগে রাকেশ সিং গ্রেফতার হলেও নুসরতের বিরুদ্ধে নীরব প্রশাসন

কিন্তু তারপরেও হাজির হননি নুসরাত। এই মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত বিনায়ক সেন এবং বিষ্ণু চরণ দাসের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল। এই মামলায় আদালতের নির্দেশে রাকেশ সিং-কে গ্রেফতার করা হয়েছিল। কিন্তু নুসরতের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থায় নেয়নি গড়িয়া হাট থানা। এর কারণ কি রাজনৈতিক প্রভাব? তাঁর উত্তর এখন পর্যন্ত নেই কার কাছে।







