নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিহত বাম যুবকর্মীকে সংগঠিত ভাবে পিটিয়ে মারার গুরুতর অভিযোগ শুভেন্দুর। নবান্ন অভিযানে আক্রান্ত ডিওয়াইএফআই কর্মী মইদুল ইসলাম মিদ্যার মৃত্যু ঘিরে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। বিরোধী সমস্ত দল আক্রমন শানাচ্ছে রাজ্য পুলিশ অ প্রশাসনের বিরুদ্ধে। পিছিয়ে নেই আসন্ন নির্বাচনে প্রধান বিরোধী দল বিজেপিও। কাল রানাঘাটের সভা থেকে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর আজ শ্রীরামপুরে সরস্বতী পুজোর উদ্বোধনে গিয়ে এই ইস্যুতে শাসকদলকে বিঁধলেন তৃণমূল থেকে বিজেপিতে কিছুদিন আগেই যোগ দেওয়া শুভেন্দু অধিকারী।
আরও পড়ুনঃ মইদুলের মৃত্যুতে সংখ্যালঘু কার্ড বিজেপির? ‘অত্যন্ত বেদনাহত’ রাজীব।


শুধু তাই নয় সংগঠিত ভাবে পিটিয়ে মারার গুরুতর অভিযোগ করলেন শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এদিন ওই যুবকর্মীর মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন “এই ঘটনা রাজ্য সরকারের নৃশংসতা ও বর্বরতার প্রমাণ। এর থেকে মুক্তির একমাত্র পথ হচ্ছে নরেন্দ্র মােদীর মদতপুষ্ট পশ্চিমবঙ্গে গণতান্ত্রিক সরকার। এর কোনও বিকল্প নেই।”
মুখ্যমন্ত্রীর চাকরি দেওয়াকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন “এটা যদি ঘটনাচক্রে ঘটে যেত তাহলে আলাদা কথা। কিন্তু এখানে সংগঠিত ভাবে পিটিয়ে মারা হয়েছে। পরিবারের একজনকে চাকরি দেব বললেই কি দায় এড়ানাে যায়? গণতান্ত্রিক ভাবে চাকরি চাইতে এসেছিল ছেলেমেয়েরা। জল কামান চালিয়ে, গ্যাস ফাটিয়ে পুলিশ অনেক ভাবেই সরিয়ে দিতে পারত। কিন্তু মাটিতে ফেলে পিটিয়ে পিটিয়ে মারা, এ তাে কোনও সভ্য দেশে হয় না।” তিনি আরও বলেন “নন্দীগ্রাম আন্দোলনে গুলি চালানাে দেখিয়ে ক্ষমতায় এসে নবান্নের দরজায় যুবককে পিটিয়ে মারা, এ জিনিস হতে পারে না। যদি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিত, তাহলে বােঝা যেত সরকার পেটাতে বলেনি। কিন্তু কলকাতার নবনিযুক্ত কমিশনার সরকারের গুডবুকে যাওয়ার জন্য এটা করিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হলে বুঝতাম। চাকরি দেওয়াটা সমাধান নয়।”
নিহত বাম যুবকর্মীকে সংগঠিত ভাবে পিটিয়ে মারার গুরুতর অভিযোগ শুভেন্দুর। এদিকে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা করা চাকরির ব্যাপারে নিহত কর্মীর স্ত্রী আলেয়া বিবি সরাসরি জানিয়েছেন আগে দোষী পুলিশদের শাস্তি চান তিনি। তবে অন্য কথা। স্বামিহারা আলেয়া বিবি দুই কন্যা সন্তানকে নিয়ে এখন সঠিক বিচার পাওয়ার আশায়।









