নজরবন্দি ব্যুরোঃ মইদুলের মৃত্যুতে সংখ্যালঘু কার্ড বিজেপির? ‘অত্যন্ত বেদনাহত’ হয়েছেন বলে জানালেন নব্য বিজেপি নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন রাজীব বলেন, “একটা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ছেলে মারা গেল। এর সমস্ত দায় মুখ্যমন্ত্রীর।” তাঁর কথায়, “সকালবেলাই এমন একটা খবর আজ শুনেছি যাতে আমি অত্যন্ত বেদনাহত। গণতন্ত্রে যে যেকোনও দল করতে পারেন। তাই বলে এই ভাবে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে পুলিশ পেটাবে?”
আরও পড়ুনঃ ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে চাঞ্চল্য, অভ্যন্তরীণ অঙ্গে চোট লাগেনি মইদুলের!!


মইদুলের মৃত্যুতে সংখ্যালঘু কার্ড বিজেপির? রাজীব বলেন, তিনি বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তীকে ফোন করে বলেছেন, “আপনাদের পাশে রয়েছি। এই ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না।” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে তো দেগে রাজীব বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধী নেত্রী থাকার সময়ে জ্যোতি বসু বা বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য সরকারের পুলিশের বিরুদ্ধে বারবার আক্রমণের অভিযোগ তুলতেন, সেদিন তিনি রাস্তায় নামতেন। আন্দোলন করতেন। আর আজকে নীরব। মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আর এক মুহূর্ত গদিতে থাকা উচিত নয়।”
এদিকে মইদুল ইসলাম মিদ্যার প্রাথমিক ময়নাতদন্তের রিপোর্ট প্রকাশ করেছে রাজ্য। মইদুল ইসলাম মিদ্যার (Maidul Islam Midya) কিডনি ফেলিওরের কোনও প্রমাণ মেলেনি বলে জানানো হয়েছে তদন্তকারী বোর্ডের তরফে। মৃত ডিওয়াইএফআই কর্মী মইদুলের কিডনি, লিভার ও হার্ট পাঠানো হচ্ছে ভিসেরা পরীক্ষার জন্য। সেই পরীক্ষার ফলাফলের ওপর নির্ভর করছে মূল রিপোর্ট!
ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট নিয়ে রাজ্য সরকারকে নিশানা করেছে বামেরা। সিপিআইএম বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী বলেন, ময়নাতদন্ত হতে কেন এত দেরি হল তা সকলেই বুঝে গিয়েছেন। মইদুল কে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁর। এদিকে মইদুলের মরদেহ তাঁর কোতুলপুরের বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার আগে ডিওয়াইএফআই ভবনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কার্যত অবরুদ্ধ এজেসি বোস রোড।









