ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে চাঞ্চল্য, অভ্যন্তরীণ অঙ্গে চোট লাগেনি মইদুলের!!

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে চাঞ্চল্য, কিডনি ফেলিওর হয়নি মইদুলের!? তদন্তকারী বোর্ড ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে জানিয়েছে, কিডনি ফেলিওরের কোনও প্রমাণ মেলেনি। তবে শরীরে চোটের একাধিক প্রমান পেয়েছে তদন্তকারী বোর্ড। প্রাথমিক রিপোর্ট বলছে মইদুলের হাঁটুতে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবে তাঁর শরীরের গুরুত্বপূর্ণ কোনও অভ্যন্তরীণ অঙ্গে আঘাতের চিহ্ন মেলেনি!

আরও পড়ুনঃ আজ মধ্যরাতের পর থেকেই দেশে চালু একশো শতাংশ ফাস্টট্যাগ, না থাকলে দিতে হবে দ্বিগুন জরিমানা।

মইদুল ইসলাম মিদ্যার (Maidul Islam Midya) কিডনি ফেলিওরের কোনও প্রমাণ মেলেনি বলে জানানো হয়েছে তদন্তকারী বোর্ডের তরফে। মৃত ডিওয়াইএফআই কর্মী মইদুলের কিডনি, লিভার ও হার্ট পাঠানো হচ্ছে ভিসেরা পরীক্ষার জন্য। সেই পরীক্ষার ফলাফলের ওপর নির্ভর করছে মূল রিপোর্ট!

নবান্ন অভিযানে গিয়ে পুলিশের লাঠিতে ব্যাপকভাবে আহত হন বাম যুব কর্মী মইদুল ইসলাম মিদ্যা। কলকাতার একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে মইদুল চিকিৎসারত ছিলেন ১৩ তারিখ থেকে। ডাক্তার জানিয়েছেন পুলিশের অতিরিক্ত লাঠি চার্জের ফলেই ঘটেছে এই মৃত্যু। মইদুলের চিকিৎসার দায়িত্বে ছিলেন ডাক্তার ফুয়াদ হালিম।

তিনি জানান পুলিশের প্রচণ্ড মারে মইদুলের শরীরের একাধিক মাংসপেশিতে গুরুতর আঘাত লাগে। ফলে সডিয়াম, পটাশিয়াম বেরইয়ে গিয়ে ফুস্ফুসে জল জমতে শুরু করে জল। পেশি থেকে অতিরিক্ত প্রোটিন বেরিয়ে যায়, আজ সকালে আচমকাই কার্ডিয়াক আরেস্ট হয়ে মারা যান তিনি।

ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট নিয়ে রাজ্য সরকারকে নিশানা করেছে বামেরা। সিপিআইএম বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী বলেন, ময়নাতদন্ত হতে কেন এত দেরি হল তা সকলেই বুঝে গিয়েছেন। মইদুল কে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁর। এদিকে মইদুলের মরদেহ তাঁর কোতুলপুরের বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার আগে ডিওয়াইএফআই ভবনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কার্যত অবরুদ্ধ এজেসি বোস রোড।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত