শপথের পরেই কোথা থেকে চলবে রাজ্যের প্রশাসন—এই প্রশ্নের উত্তর মিলল অবশেষে। নবান্নে না গিয়ে আপাতত বিধানসভা ভবন থেকেই কাজ শুরু করবেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী। কারণ, বহু প্রতীক্ষিত রাইটার্স বিল্ডিং পুরোপুরি সংস্কার না-হওয়া পর্যন্ত সেখানেই বসবেন তিনি। রাজনৈতিক পালাবদলের পর প্রশাসনিক কাঠামোয় এই পরিবর্তন তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে প্রশাসনিক মহল।
৯ মে শপথগ্রহণের পর নতুন সরকারের কাজ শুরু হবে পূর্ণমাত্রায়। তবে ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিংয়ে ফের প্রশাসন চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও, সংস্কারের কাজ এখনও শেষ হয়নি। সেই কারণেই অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা হিসেবে বিধানসভা ভবনে মুখ্যমন্ত্রীর জন্য নির্দিষ্ট কক্ষকেই অস্থায়ী সচিবালয় হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।



প্রসঙ্গত, ২০১১ সালে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজভবন থেকে হেঁটে মহাকরণে গিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই প্রশাসনিক কেন্দ্র স্থানান্তরিত হয় নবান্নে। গত প্রায় দেড় দশক ধরে সেখান থেকেই রাজ্যের শাসনকার্য পরিচালিত হয়েছে।
২০২৬ সালের নির্বাচনে রাজনৈতিক পালাবদলের পর ফের রাইটার্সে প্রশাসন ফেরানোর সিদ্ধান্ত নতুন সরকারের অন্যতম বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে সংস্কার কাজ। প্রশাসনের লক্ষ্য, যত দ্রুত সম্ভব ঐতিহ্যবাহী এই ভবনকে পূর্ণাঙ্গ সচিবালয় হিসেবে চালু করা।
ততদিন পর্যন্ত বিধানসভা ভবনই হবে মুখ্যমন্ত্রীর অস্থায়ী কর্মক্ষেত্র। প্রশাসনিক সূত্রে জানা যাচ্ছে, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ইতিমধ্যেই প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যাতে কাজের গতি ব্যাহত না হয়।









