আগামী ৭ মে তৃতীয় দফায় গুজরাটের গান্ধীনগরে ভোটগ্রহণ। এই কেন্দ্র থেকেই লোকসভায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ভোটগ্রহণের মাত্র ২ দিন আগে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠল তাঁর বিরুদ্ধে। গান্ধীনগর কেন্দ্রের বিরোধীদের দাবি, তাঁদের মনোনয়ন প্রত্যাহারের জন্য চাপ দিচ্ছেন অমিত শাহ। যদিও বিজেপির তরফে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: সার্জিকাল স্ট্রাইক অভিষেকের, সন্দেশখালির নেতাদের দলে ফেরানোর সিদ্ধান্ত নেবে তৃণমূলের কোর কমিটি


গান্ধীনগর বরাবর বিজেপির শক্ত ঘাঁটি। লালকৃষ্ণ আডবাণী, অটল বিহারী বাজপেয়ী এবং বর্তমানে অমিত শাহ, বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বরা দীর্ঘকাল ধরে এই কেন্দ্র থেকেই লড়ে আসছেন। অমিত শাহ নিজে গত মাসেই মহা সমারোহের সঙ্গে মনোনয়ন জমা দেন। বিরোধীরাও মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। কিন্তু ভোটের আগের তাঁদের মনোনয়ন তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, এমনটাও অভিযোগ।

এবার গান্ধীনগর কেন্দ্রে কংগ্রেস প্রার্থী সোনাল প্যাটেল। অন্যদিকে, নির্দল প্রার্থী জিতেন্দ্র চৌহান, প্রজাতন্ত্র আধার পার্টির সুমিত্রা মৌর্য, নির্দল প্রার্থী জৈনেন্দ্র রাঠোর। কংগ্রেস প্রার্থী সেভাবে এই অভিযোগে সরব না হলেও নির্দল প্রার্থীদের সরাসরি অভিযোগ, গান্ধীনগর পুলিশের তরফে তাঁদের মনোনয়ন তুলে নিতে বলা হচ্ছে।



নিজের কেন্দ্রে বিরোধীদের মনোনয়ন প্রত্যাহারের জন্য চাপ! অমিত শাহের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ
জানা যাচ্ছে, ইতিমধ্যেই সুমিত্রা মৌর্য ছাড়া বাকি দুই নির্দল প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহারও করে নিয়েছেন। মোট ১০ জনের বেশি মনোনয়ন তুলে নিয়েছেন। কংগ্রেসের দাবি, গান্ধীনগর কেন্দ্র থেকে অমিত শাহের জেতার সম্ভাবনাই বেশি। কিন্তু তাতেও খুশি হন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এবার তাঁর লক্ষ্য ৫ লাখের বেশি ভোট ব্যবধানে জেতার। সেক্ষেত্রে যদি নির্দল প্রার্থীরা ভোট কেটে ব্যবধান কমিয়ে দেন, তাই এই পন্থা অবলম্বন করতে চাইছেন শাহ।








