নজরবন্দি ব্যুরোঃ ২০১১ সালের পর এই রাজ্যে সিপিএম তথা বামফ্রন্ট সাইনবোর্ড পরিণত হয়েছিল বলে কটাক্ষ করেন শাসক দল তৃণমূল। নির্বাচনের নিরিখে এই মুহূর্তে বিধানসভাতে বামদের কোন প্রতিনিধি নেই। সেই দিক থেকে দেখলে কথাটা ঠিক বলেই মনে করেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
আরও পড়ুনঃ মুখ্যমন্ত্রীর ধর্নায় দাওয়াই, রাজ্যের বকেয়া ৬০০ কোটি টাকা মেটাবে কেন্দ্র


কিন্তু বামদের ছাত্র সংগঠন ২০১১ সালের পর এক নতুন রেকর্ড তৈরি করল সদস্য সংখ্যার বিচারে। কী সেই রেকর্ড? ভারতের ছাত্র ফেডারেশনের তরফে একটি প্রেস বিবৃতি জারি করে জানানো হয়েছে ‘ভারতের ছাত্র ফেডারেশন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে ৮৩৯১৮৫ জন্য সদস্য সংগ্রহ করেছে।

২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে আমাদের সংগৃহীত সদস্য সংখ্যা ছিল ৭৪৪৩০৬। বিগত শিক্ষাবর্ষের তুলনায় এই বছর ৯৪৮৭৯ জন সদস্য বৃদ্ধি পেয়েছে আমাদের রাজ্যে।’ এই নিয়ে বলতে গিয়ে এসএফআই ের রাজ্য সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য জানান, ছাত্রদের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে অনবরত ময়দানে নেমে লড়াই করে গিয়েছে এসএফআই।

তারই ফসল ঘরে তুলেছে সংগঠন। অপর দিকে তৃণমূলের ছাত্র নেতারা এই পরিসংখ্যান মানতে না রাজ। তাঁদের কথায়, এই হিসেবে জল ঢালা হয়েছে। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য জানান, যাদের সদস্যই নেই কলেজে কলেজে, তাদের এই রিপোর্ট হতে পারে না। আর এক যুব তৃণমূল নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন,


তৃণমূলের যুগে নতুন রেকর্ড করল SFI, গত এক বছরে প্রায় ১ লাখ নতুন সদস্য পেল বাম ছাত্র সংগঠন

“প্রতিবারই খবরে দেখি এসএফআই, ডিওয়াইএফআইয়ের সদস্য সংখ্যা বাড়ছে। প্রতিবারই খবর দেখি একবারের ব্রিগেড অন্যবারের ব্রিগেডের ভিড় ছাপিয়ে গিয়েছে। কোনওবার টুম্পাকে নিয়ে আসে, কোনওবার ঝুম্পাকে ব্রিগেডে নিয়ে আসে। তবে যত যাই হোক না কেন, শেষমেশ এই মানুষগুলি কি ভোট দেয়, নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মধ্যে গিয়ে সেই রাজনৈতিক দলের প্রার্থীকে নির্বাচিত করে, এটা একটা বড় প্রশ্ন। আমার মনে হয় আগামিদিনের জন্য এটা একটা গবেষণারও জায়গা”।







