নজরবন্দি ব্যুরোঃ যোগীকে সরাতে ভরসা দিদি, এবার ‘খেলা হবে’ স্লোগান নিয়ে উত্তর প্রদেশের ভোট ময়দানে নামল সমাজবাদী পার্টি! বারাণসীর দেওয়ালে ফুটে উঠছে সমাজবাদী পার্টির সাইকেল চিহ্নের সাথে ‘২০২২ এ খেলা হবে’ স্লোগান।বারাণসীকে পূর্বাঞ্চলীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু বলে মনে করা হয়। শুধু তাই নয় বিজেপির সবথেকে গ্রহণযোগ্য মুখ তথা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর লোকসভা নির্বাচনী ক্ষেত্র এই বারাণসী।
আরও পড়ুনঃ ফিরহাদ-সুদীপ-নয়নার সাথে একই ফলকে ‘টিকা জালিয়াত’ দেবাঞ্জন, দায়ের হল FIR!


সমাজবাদী পার্টির প্রাক্তন বিধায়ক আব্দুল সামাদ আনসারির নেতৃত্বে চলছে দেওয়াল লিখনের কাজ। যোগীকে সরাতে ভরসা দিদি, বলেই মনে করেন আনসারি। সেই কারনেই আব্দুল সামাদ আনসারি, সমাজবাদী পার্টির সর্বোচ্চ নেতা তথা উত্তর প্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব কে অনুরোধ করেছেন দলীয় স্তরে সমস্ত নেতাদের যেন নির্দেশ দেওয়া হয় খেলা হবে স্লোগান কে হাতিয়ার করতে।
আন্সারির কথায়, যেভাবে দিদির নেতৃত্বে বঙ্গবাসী বিজেপি কে হটিয়েছে, ঠিক একই ভাবে ভোজপুরীরাও বিজেপিকে সরাবে অখিলেশের নেতৃত্বে। উল্লেখ্য রাজ্যে তৃতীয়বার মমতা সরকার গড়ার আগে যে ঐতিহাসিক রাজনৈতিক যুদ্ধ দেখেছে পশ্চিমবঙ্গ যার কেন্দ্রবিন্দু মূলত দুটি স্লোগানের লড়াই। তৃণমূলের ‘খেলা হবে’ বনাম বিজেপির ‘আসল পরিবর্তন’। যার মধ্যে খেলা হবে কেই বেছে নিয়েছে বাঙালি। তৃতীয়বারের জন্যে বিপুল ভোটে জিতে ক্ষমতায় এসেছে তৃণমূল।
রাজ্যে খেলা হয়েছিল ধর্মীয় মেরুকরণের বনাম উন্নয়ন তাস এর। একদিকে বারবার মোদি-শাহের সভা। বিজেপির একাধিক নেতা তাদের বক্তব্যে হিন্দুত্বের কথা বলেছেন। এমনকি মতুয়া ভোট টানতে উঠেছে সি এ এ প্রসঙ্গ। অন্যদিকে নন্দীগ্রামের প্রচারে লাগাতার মমতা ব্যানার্জিকে শুনতে হয়েছে ” বেগম” সম্বোধন। উল্টোদিকে প্রথম থেকেই তৃণমূল নেত্রীর প্রচারে শুধুই এসেছে উন্নয়ন প্রসঙ্গ। শেষ পর্যন্ত খেলে দেয় বাংলার জনগন। তৃতীয়বারের জন্যে বাংলার মসনদে বসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।


প্রসঙ্গত, এখন থেকেই ২০২৪ লোকসভা নির্বাচন নিয়ে ঝাঁপাচ্ছে তৃণমূল। রাজ্যের বিপুল জয় এবং বিজেপি কে ঠেকাতে সক্ষম হয়ে ওঠায় সর্ব ভারতীয় রাজনীতির ক্ষেত্রে যে তৃণমূল একটা অন্য সমীকরণ তৈরি করবে তা বলা যেতেই পারে। যার মধ্যমণি হয়ে ওঠার সমূহ সম্ভাবনা তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জির। সম্ভবত, শুরুটা হল যোগীরাজ্য থেকেই!







