নজরবন্দি ব্যুরো: সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে আগেই উঠে গিয়েছিল ভারত। মঙ্গলবার গ্রুপের শেষ ম্যাচে ধারে-ভারে এগিয়ে থাকা কুয়েতকেও আটকে দিলেন সুনীল ছেত্রীরা। বলা ভাল, শেষবেলায় রক্ষণের ভুলে জয় হাত ছাড়া হল ইগর স্তিমাচের দলের। মঙ্গলবার বেঙ্গালুরুর কান্তিরাভা স্টেডিয়ামে ভারতের দিনটি মোটেও ভাল গেল না।
আরও পড়ুন: ED-র হাতে কুন্তল-সায়নীর চ্যাট, নিয়োগ দুর্নীতি কান্ডে এবার তলব যুব তৃণমূল নেত্রীকে


এই ড্রয়ের ফলে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের গ্রুপ ‘এ’র এক নম্বর দল হয়ে শেষ চারে যাওয়া হল না সুনীল ছেত্রীদের। কিন্তু সুনীল ছেত্রী গড়ে ফেলল বড় নজির। সুনীল ছেত্রী এদিন দুরন্ত গোল করে এবারের এই টুর্নামেন্টের পঞ্চম গোলটি করে ফেললেন। সেই সঙ্গে তিনি লিখে ফেলেন নতুন ইতিহাস।সুনীল দেশের জার্সিতে ৯২ নম্বর আন্তর্জাতিক গোলটি করে ফেলেন।

প্রথমার্ধের ৪৫ মিনিটে কোনও দলই গোলের মুখ খুলতে পারেননি এদিন। তবে বিরতির ঠিক আগেই গোল করেন সুনীল। প্রথমার্ধের ঠিক ইনজুরি টাইমে কর্নার কিক থেকে পাওয়া বল ধরে সাইডভলিতে অনবদ্য গোল করে দলকে ১-০ এগিয়ে দেন সুনীল। প্রথমার্ধে এগিয়ে থাকা ভারত দ্বিতীয়ার্ধে কুয়েতকে প্রথম মিনিট পনেরো রীতিমতো চেপে ধরেছিল।



কিন্তু ঘড়ির কাঁটা যখন ৬০ মিনিটের ঘরে ঢুকতে শুরু করে দেয়, তখনই ম্যাচের তাল কাটতে থাকে। ম্যাচের ৬৩ মিনিটে নাওরেম মহেশকে ফাউল করে বসেন হামাদ আলকাল্লা।বল টেকনিক্যাল এরিয়ার সামনে এসে পড়ায়, স্টিমাচ হাতে করে বল তুলে নে়ন এবং ফাউলের দাবি জানান। এরপেরই কুয়েতের খেলোয়াড়রা আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন।
দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে বিবাদ শুরু হয়ে যায়। ভারতের ক্রোট কোচ স্টিমাচও মাথা ঠিক রাখতে পারেননি। রেফারির সঙ্গে ঝামেলা করে হলুদ কার্ড দেখে বসেন। এরপর ৮০ মিনিটে ফের স্টিমাচ ম্যাচ আধিকারিকদের সঙ্গে ঝামেলা করে দেখেন দ্বিতীয় হলুদ কার্ড। রেফারি লাল কার্ড দেখিয়ে স্টিমাচকে মাঠের বাইরে বার করে দেন।
আত্মঘাতী গোলে জয় হাতছাড়া সুনীলদের, নিয়মরক্ষার ম্যাচে লাল কার্ড দেখলেন স্টিমাচ

এরপর ঝামেলায় জড়িয়ে ৯০ মিনিটে লাল কার্ড দেখেন ভারতের রহিম আলি এবং কুয়েতের হামাদ আলকাল্লাফ। ভারতের জয় যখন প্রায় নিশ্চিত মনে হচ্ছে, তখনই রক্ষণের ভুলে ছন্দপতন। ৯৩ মিনিটে আনোয়ার আলির আত্মঘাতী গোলে সমতা ফেরায় কুয়েত।মঙ্গলবারের ম্যাচ ড্র হওয়ায় গোল পার্থক্যে গ্রুপে দ্বিতীয় হল ভারত। সেমিফাইনালে সুনীলদের খেলতে হবে লেবাননের বিরুদ্ধে।







