ফলতা উপনির্বাচনের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে। বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পণ্ডার সমর্থনে প্রচারে গিয়ে তৃণমূল প্রার্থী Jahangir Khan-কে তীব্র কটাক্ষ করলেন মুখ্যমন্ত্রী Suvendu Adhikari। সভামঞ্চ থেকে শুভেন্দুর মন্তব্য, “কোথায় পুষ্পা? ওর দায়িত্ব আমি নিয়ে গেলাম।” একইসঙ্গে ফলতায় বিজেপিকে ১ লক্ষ ভোটে জেতানোর লক্ষ্যও বেঁধে দেন তিনি।
শনিবার ফলতার নির্বাচনী সভা থেকে শুভেন্দু বলেন, “ফলতায় এক লক্ষ ভোটের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করতে হবে। কোথায় পুষ্পা? দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না তো!”


এখানে ‘পুষ্পা’ বলে তিনি ইঙ্গিত করেন জাহাঙ্গির খানের দিকে। উল্লেখ্য, নির্বাচনের সময় নিজেকে ‘পুষ্পা’ বলে উল্লেখ করে ‘ঝুকেগা নেহি’ মন্তব্য করেছিলেন জাহাঙ্গির।
শুভেন্দু আরও বলেন, “ওই ডাকাতটা কোথায়? যত অভিযোগ করেছে সাধারণ নির্বাচনের সময়, সব কিছুর ব্যবস্থা হবে। গুন্ডামি করতে দেব না। নিশ্চিন্ত থাকুন।”
মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, ২০২১ সালের ভোট-পরবর্তী হিংসার ঘটনায় মানবাধিকার কমিশন ১৯ জনকে ‘নোটোরিয়াস ক্রিমিনাল’ হিসেবে চিহ্নিত করেছিল, যার মধ্যে জাহাঙ্গির খানও ছিলেন। তাঁর কথায়, “ওর ব্যবস্থা করব। সেই দায়িত্ব আমার উপর ছেড়ে দিন।”


প্রসঙ্গত, রাজ্যে ভোট চলাকালীন উত্তরপ্রদেশের আইপিএস অফিসার Anuj Pal Sharma-কে বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছিল। সেই সময় তিনি জাহাঙ্গির খানের বাড়িতে গিয়ে সতর্ক করে এসেছিলেন বলেও রাজনৈতিক মহলে চর্চা হয়েছিল।
উল্লেখযোগ্যভাবে, ২৯ এপ্রিল ফলতায় ভোট হলেও ব্যাপক অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগে নির্বাচন কমিশন পুরো নির্বাচন বাতিল করে দেয়। পরে ৪ মে রাজ্যের বাকি ২৯৩টি আসনের ফল প্রকাশ হলেও ফলতার ফল স্থগিত রাখা হয়। আগামী ২১ মে সেখানে পুনর্নির্বাচন হবে।
৪ মে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই জাহাঙ্গির খানকে প্রকাশ্যে খুব একটা দেখা যাচ্ছিল না। সেই বিষয়টিকেও এদিন কটাক্ষের সুরে তুলে ধরেন শুভেন্দু।
এদিনের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী আরও ঘোষণা করেন, ১৯ মে তিনি সারাদিন ফলতায় প্রচার করবেন। পাশাপাশি ২৪ মে ফল ঘোষণার দিন বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পণ্ডাকে মালা পরিয়ে বরণ করে নেওয়ার কথাও বলেন তিনি।
অন্যদিকে জাহাঙ্গির খানও পালটা বার্তা দিয়েছেন। নিজেকে ফের ‘পুষ্পা’ বলে উল্লেখ করে তাঁর বক্তব্য, “ঝুকেগা নেহি”— অর্থাৎ কোনও চাপের কাছেই মাথা নত করবেন না তিনি।







