Russia-Ukraine War: রাশিয়াকে অস্ত্র সাহায্য নয়, ইউক্রেনের নাগরিকদের মানবিক সহায়তা দেবে চীন।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ আজ যুদ্ধের ১৯ তম দিন। ধ্বংসলীলা চলছে ইউক্রেন জুড়ে। রাশিয়া এবং ইউক্রেন শক্তিতে এক না হলেও ইউক্রেনের যোদ্ধারা রীতিমত বেগ দিচ্ছে রাশিয়ার সৈন্যদের। বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে উভয়পক্ষের। এদিকে  ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে বিশ্ব দরবারে কোণঠাসা রাশিয়া। প্রাথমিক ভাবে ইউক্রেন ইস্যুতে চিন রাশিয়ার পক্ষে সওয়াল করলেও যুদ্ধ ঘোষণার পর সুর বদলেছে চিনেরও।

আরও পড়ুনঃ সহায়তা করলে চরম পরিণতি, রাশিয়া নিয়ে চীনকে হুঁশিয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের।

এই আবহে ‘ভাড়া করা যোদ্ধাদের’ ইউক্রেনে পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে রাশিয়া। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই উদ্বেগ ছড়িয়েছে ইউরোপে।  মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন একটি খবর প্রকাশ করে দাবি করেছে যে ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য চিনের থেকে অস্ত্র চেয়েছে ক্রেমলিন। রিপোর্ট অনুযায়ী, ইউক্রেনে আগ্রাসনের জন্য চিনের কাছে ড্রোনসহ সামরিক সহায়তা চেয়েছে রাশিয়া। আর সেই খবর প্রকাশের পরেই বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

ridd

রাশিয়াকে অস্ত্র সাহায্য দেয়া মানে পরোক্ষে ইউক্রেনের সাথে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে চীন। আর তা যদি হয় তাহলে মতেই চুপ করে বসে থাকবে না আমেরিকা এবং পশ্চিমের বন্ধু দেশ গুলো। সেক্ষেত্রে বিশ্বযুদ্ধ বেঁধে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সিএনএন এর খবর প্রকাশিত হওয়ার পরে কড়া বার্তা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি বলেছেন, রাশিয়াকে যদি কেউ কোন সাহায্য করে তাহলে চুপ করে বসে থাকবে না।

রাশিয়াকে অস্ত্র সাহায্য নয়, ইউক্রেনের নাগরিকদের মানবিক সহায়তা দেবে চীন।

রাশিয়াকে অস্ত্র সাহায্য নয়, ইউক্রেনের নাগরিকদের মানবিক সহায়তা দেবে চীন।
রাশিয়াকে অস্ত্র সাহায্য নয়, ইউক্রেনের নাগরিকদের মানবিক সহায়তা দেবে চীন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান রবিবার চীনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, রাশিয়ার ওপর যে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে সেগুলো প্রত্যাহার করলে চীনকে পরিণতি ভোগ করতে হবে। এদিকে বিবৃতি দিয়েছে চীনও। মার্কিন সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে, ওয়াশিংটনে চিনা দূতাবাসের মুখপাত্র লিউ পেঙ্গিউ জানান যে তিনি এমন কোনও খবরের বিষয়ে অবগত নন।

উল্টে তিনি দাবি করেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেন এবং তাদের নাগরিককে মানবিক সহায়তা করতে থাকবে চিন। তিনি বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে অগ্রাধিকার হল উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি যাতে আর বাড়তে না পারে বা নিয়ন্ত্রণের বাইরে না চলে যায় তা নিশ্চিত করা।’

উল্লেখ্য, ১৯ দিন হল রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ চলছে। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তারপর থেকে শুরু হয়েছে যুদ্ধ। রুশ বাহিনী প্রতিদিনই ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরকে নিশানা করেছে। রাশিয়ার গোলাগুলিতে ইউক্রেনের বহু শহর ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। প্রাণের ভয়ে লক্ষ লক্ষ মানুষ ভিটেমাটি ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছেন প্রতিবেশী দেশগুলিতে। কার্যত মৃত্যু মিছিল চলছে দেশজুড়ে। উদবিঘ্ন ভারতও।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত