‘দেবই ব্যতিক্রম ছিল’, টলিউডের ‘ব্যান কালচার’ নিয়ে বিস্ফোরক রূপা গঙ্গোপাধ্যায়

নন্দনে ১০ বছর পর ফিরে টলিউডের ‘ব্যান সংস্কৃতি’ নিয়ে মুখ খুললেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। দেবকে বললেন ইন্ডাস্ট্রির ‘ব্যতিক্রম’।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

দীর্ঘ এক দশক পর ফের নন্দন চত্বরে ফিরলেন অভিনেত্রী-রাজনীতিক রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। আর ফিরেই টলিউডের তথাকথিত ‘ব্যান কালচার’ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন তিনি। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক বিভাজনের মাঝেও একমাত্র Dev-ই কোনও ভেদাভেদ না করে সকলকে নিয়ে কাজ করেছেন।

সমর্পণ সেনগুপ্ত পরিচালিত ‘প্রত্যাবর্তন’ ছবির সূত্রে নন্দনে এসেছিলেন রূপা। সেখানে দাঁড়িয়েই তিনি স্মৃতিচারণ করেন পুরনো দিনের। জানান, প্রায় ১০ বছর পর ফের এই চত্বরে এলেন তিনি। নন্দনের কনফারেন্স রুম দেখিয়ে বলেন, এখানেই একসময় আর্টিস্ট ফোরাম ও কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবের বৈঠকে নিয়মিত আসতেন।

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর টলিউডের দায়িত্বে পরিবর্তন এসেছে। পাপিয়া অধিকারী, রুদ্রনীল ঘোষ, হিরণ চট্টোপাধ্যায় এবং রূপাকে বাংলা বিনোদন জগতের দায়িত্বে আনা হয়েছে। তবে দায়িত্ব কীভাবে ভাগ হবে, তা এখনও ঠিক হয়নি বলেই জানান রূপা। তাঁর কথায়, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী যা নির্দেশ দেবেন, সে ভাবেই কাজ হবে।

টলিউডে ‘ব্যান সংস্কৃতি’ আর থাকবে না বলেও আশ্বাস দিয়েছেন রূপা। তাঁর দাবি, শিল্পীদের উপর রাজনৈতিক রং চাপিয়ে দেওয়া বন্ধ হবে এবং প্রযোজক-পরিচালক-অভিনেতারা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবেন। যদিও ইমপা বা আর্টিস্ট ফোরাম নিয়ে সরাসরি মন্তব্য করতে চাননি তিনি।

এই প্রসঙ্গেই উঠে আসে দেবের নাম। দীর্ঘদিন তথাকথিত ‘ব্যান’ তালিকায় থাকার পরেও দেবের ছবিতে অভিনয় করেছেন মিঠুন চক্রবর্তী, অঞ্জনা বসু, রুদ্রনীল ও রূপা নিজে। সেই প্রসঙ্গে রূপা অকপটে বলেন, “একমাত্র দেব ব্যতিক্রম। ও কখনও বাছবিচার করেনি। যতটা পেরেছে, আমাদের নিয়ে কাজ করেছে।”

তবে আপাতত অভিনয়ের থেকে রাজনীতিতেই বেশি মন দিতে চান বলে জানিয়েছেন তিনি। ফলে খুব তাড়াতাড়ি তাঁকে পর্দায় দেখা যাবে কি না, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।

এদিকে বাংলার নাট্যজগতের জন্য নতুন নাট্য প্রশিক্ষণ কেন্দ্র তৈরির ঘোষণাকেও স্বাগত জানিয়েছেন রূপা। যদিও পরিচালক কৌশিক সেন মঞ্চের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সেই প্রসঙ্গে রূপার বার্তা, “ভয় আর শঙ্কা মানুষের মনে অনেক দিন ধরে জমে আছে। একটু ভরসা করে দেখুন।”

২২ মে ইমপার তরফে বিজেপির জয়ী তারকা প্রার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান নিয়েও খোঁচা দিতে ছাড়েননি রূপা। Piya Sengupta-র ‘অরাজনৈতিক’ অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। স্পষ্ট জানান, ফুল-মালার সংবর্ধনার চেয়ে কাজেই বেশি বিশ্বাসী তিনি।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন