দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর খোঁজ চলছিল। অবশেষে সোমবার সল্টলেকের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) দফতরে হাজিরা দিলেন বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পু। রবীন্দ্র সরোবর কাণ্ডে নাম জড়ানোর পর থেকে কার্যত আড়ালেই ছিলেন তিনি। মাঝেমধ্যে সমাজমাধ্যমে লাইভে এলেও তাঁর অবস্থান নিয়ে ধোঁয়াশা থেকেই গিয়েছিল।
সোমবার আচমকাই ইডি দফতরে পৌঁছে যান সোনা পাপ্পু। অফিসে ঢোকার সময় তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, গ্রেফতারের আশঙ্কা করছেন কি না। জবাবে তিনি বলেন, “আমি কোনও দোষ করিনি।” তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে।


গত ফেব্রুয়ারি মাসে রবীন্দ্র সরোবরে গন্ডগোলের ঘটনায় সোনা পাপ্পুর নাম সামনে আসে। এরপর এপ্রিল মাসে তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালায় ED। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, সেই অভিযানে প্রায় ২ কোটি টাকা উদ্ধার করা হয়েছিল।
শুধু নগদ টাকাই নয়, একটি বিলাসবহুল গাড়ি এবং একাধিক সম্পত্তির নথিও বাজেয়াপ্ত করা হয় বলে ইডি সূত্রে খবর। তদন্তকারীদের দাবি, বিশ্বজিৎ পোদ্দারের বিরুদ্ধে একাধিক এফআইআর রয়েছে। তোলাবাজি, হুমকি এবং বেআইনি আর্থিক কার্যকলাপের অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
ইডি সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, কসবা, বালিগঞ্জ-সহ দক্ষিণ কলকাতার একাধিক এলাকায় সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ রয়েছে সোনা পাপ্পুর বিরুদ্ধে। সেই আর্থিক লেনদেন এবং সম্পত্তির উৎস খতিয়ে দেখছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।


দীর্ঘদিন পর তাঁর প্রকাশ্যে আসা এবং সরাসরি ইডি দফতরে হাজিরা দেওয়াকে ঘিরে জল্পনা আরও বেড়েছে। তদন্তের পরবর্তী ধাপে ইডি কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর।







