নজরবন্দি ব্যুরোঃ ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণ ইতিমধ্যেই চতুর্থ দিন অতিক্রম করেছে। রাশিয়ান আক্রমণের মুখে তছনছ হয়ে গিয়েছে ইউরোপের এই ছোট দেশ। একমাসের বেশি সময় ধরে ইউক্রেন সীমান্তে রাশিয়ান সেনা মোতায়েনের পর বৃহস্পতিবারই ইউক্রেন আক্রমণ নির্দেশ দিয়েছিলেন রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
আরও পড়ুনঃ ইউক্রেনে থাকা ভারতীয়দের ফেরাতে অপারেশন গঙ্গা, গতকাল ফেরানো হয় ২৪৯ জনকে


রাশিয়ার নিউক্লিয়ার শক্তি ডেটেরেন্স ফোর্সকে উচ্চ সতর্কতায় থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এই নির্দেশের কারণ হিসাবে তিনি জানিয়েছেন, পশ্চিমী দেশগুলি তাঁর দেশের বিরুদ্ধে শত্রুতামূলক আচরণ করছে। গোটা বিশ্বমঞ্চই যেখানে ইউক্রেনের উপর রাশিয়ার এই আগ্রাসন নিয়ে চিন্তিত, সেই সময়ে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের এই নির্দেশ আরও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

আর এই পদক্ষেপ নিয়ে এবার প্রবল অসন্তোষ প্রকাশ করল আমেরিকা। পারমাণবিক শক্তিকে প্রস্তুত থাকতে বলা একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য আমেরিকার। পুতিন আসলে আরও আগ্রাসন দেখাতে চান, তার নৈতিকতা প্রমাণে এই সব মন্তব্য করছেন বলে অভিযোগ। হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব জেন পিসাকি বললেন, ‘পুতিনের এই প্যাটার্নটা আমরা এই ঝামেলার প্রথম থেকেই দেখছি। আগ্রাসন বাড়ানোকে ন্যায়সঙ্গত প্রমাণের জন্য এমন হুমকি দেওয়া হচ্ছে যা আদৌ সত্যি নয়।’



তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের বিশ্বাস পুতিনের এই পদক্ষেপ শুধুমাত্র অপ্রয়োজনীয়ই নয়, বরং অশান্তি বাড়ানোর। অপ্রয়োজনীয় এই কারণেই যে রাশিয়া কোনওদিনও পশ্চিমের দেশ কিংবা ন্যাটোর থেকে ঝুঁকিতে নেই, ইউক্রেনের তরফে তো নয়ই।
পারমাণবিক শক্তিকে প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ পুতিনের, তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রস্তুতি? উদ্বেগ বাড়াচ্ছে
অশান্তি বাড়ানোর কারণ, সামান্য হিসেবের ভুলচুক হলেই পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক রূপ নেবে। পুতিন যে ভাবে যুদ্ধটাকে ব্যাপক করে তুলছে তা একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়।’ তবে পারমাণবিক অস্ত্রে সব চেয়ে বড় শক্তি বাইডনের দেশই। উল্লেখ্য আমেরিকাও তাদের পারমাণবিক শক্তি তৈরি রাখছে কি না তা জানানো হয়নি।







