নজরবন্দি ব্য্যুরোঃ ২২ জানুয়ারি আসানসোল পুরসভার নির্বাচন। নির্বাচনে প্রার্থীর প্রচারে উপস্থিত হয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ। মঙ্গলবার কুলটিতে প্রচারে বাধা দেওয়া হল বিজেপি নেতাকে। প্রচারপর্বে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি। কোভিড বিধি লঙ্ঘন করে প্রচারের অভিযোগে বাধা দেয় পুলিশ। পুলিশের বিরুদ্ধে সরব হয়ে ধস্তাধস্তি শুরু হয় পুলিশের সঙ্গে। রাস্তায় বসে ধর্নায় বসেন দিলীপ ঘোষ।
আরও পড়ুনঃ ‘গঙ্গাসাগর মেলা যেন করোনা সংক্রমণের মেলা না হয়ে ওঠে’ বললেন অধীর চৌধুরী
কুলটির রামনগর গ্রামে পুরভোটের প্রচার সারছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সঙ্গে ছিলেন দুই প্রার্থী-সহ জেলা সভাপতি দিলীপ দে, কুলটির বিধায়ক অজয় পোদ্দার ও বিজেপি নেতারা। রাস্তায় নেমে আসেন প্রচুর মানুষ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় কুলটি থানার পুলিশ। মিছিল আটকে তাঁকে স্পষ্ট জানানো হয়, এইভাবে প্রচার করা যাবে না। এরপরেই কার্যত ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়।
দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, ‘‘আমরা 5 জন ছিলাম । দু’জন প্রার্থী, দু’জন বিধায়ক এবং আমি । এতে যদি বিধি লঙ্ঘন হয়, তাহলে বিধি পাল্টে দিতে হবে । এরকম ননসেন্স পুলিশ দিয়ে কিছু হবে না । আসানসোলে তৃণমূল প্রার্থী আমাকে বাধা দিচ্ছে । রাতের বেলায় খেয়েছে । সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারছে না । যার পিছনে তিনজন মাত্র লোক সে আমাকে বাধা দিচ্ছে । আসলে তৃণমূল ভয় পেয়েছে । সেই কারণে বারে বারে আমাদের বাধা দেওয়া হচ্ছে । পুলিশ পাঠিয়ে আমাদের আটকানো হচ্ছে। ধাক্কাধাকি হয়েছে ।’’
প্রচারপর্বে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, ধর্নায় দিলীপ ঘোষ

চলতি মাসেই রয়েছে নির্বাচন। নির্বাচনের প্রাক মুহুর্তে প্রচারে নেমেছে সমস্ত দল। আসানসোলে নিজেদের গড় রক্ষা করতে বিশেষ জোর দিয়েছে বিজেপি। সম্ভবনাময় এলাকায় প্রচারে জোর দিয়েছেন শীর্ষ নেতারাও। কিন্তু গত নির্বাচনের খরা কাটিয়ে কামব্যাক করতে পারবে গেরুয়া শিবির? প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহলে।








