নজরবন্দি ব্যুরোঃ ১০০ মিটারের বেশি উচ্চতার টুইন টাওয়ার ভাঙতে সময় লেগেছিল মাত্র ৯ সেকেন্ড। বর্তমানে চলছে সেই ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ। কমপক্ষে তিন মাস সময় লাগবে এই ধ্বংসস্তূপ সাফ করতে। কিন্তু তারপরে কী হবে? সুপারটেক লিমিটেড, যে সংস্থাটি এই টুইন টাওয়ার তৈরি করেছিল, তাদের তরফেই জানানো হয়েছিল যে, ওই টুইন টাওয়ারের জায়গাতেই নতুন করে আবাসন তৈরি করা হবে।
আরও পড়ুনঃ অবশেষে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ধর্মগুরু শিবমূর্তি, চাঞ্চল্য কর্ণাটক জুড়ে


নয়ডা কর্তৃপক্ষ ও এমারেল্ড কোর্টের বাসিন্দাদের থেকে অনুমতি নেওয়ার পরই এই প্রকল্পের কাজ শুরু করা হবে বলে জানানো হয়েছে। কিন্তু এবার শোনা যাচ্ছে অন্য কথা। বেআইনি নির্মাণের অভিযোগে সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয়, টুইন টাওয়ার ভেঙে সোসাইটির হাতে ওই জায়গার মালিকানা দিয়ে দিতে হবে।

সেই প্রক্রিয়া কিছুদিন পরেই শুরু হবে। এবার সেই সোসাইটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে এই টাওয়ারের বিশাল জমিতে তৈরি হবে রামমন্দির। মন্দির সংলগ্ন এলাকায় বাচ্চাদের খেলার জন্য পার্কও বানানো হতে পারে।ওই জায়াগাটি কীভাবে ব্যবহার করা হবে, তা নিয়ে বৃহস্পতিবার একটি বৈঠকে বসেন ওই হাউজিংয়ের বাসিন্দারা।



টুইন টাওয়ারের জায়গায় এবার হবে মন্দির, পার্ক! সিদ্ধান্ত হাউজিংয়ের বাসিন্দাদের

সেখানেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, ফের নতুন করে আবাসন গড়ে তোলা হতে পারে। তবে তার জন্য আদালতের অনুমতির প্রয়োজন রয়েছে। সেখানেই প্রস্তাব দেওয়া হয়, বিশাল বড় একটি মন্দির গড়ে তোলা হতে পারে। সেখানে মূলত রামলালা এবং শিবের মূর্তি রাখা হবে। তাছাড়াও অন্যান্য দেব দেবীর মূর্তিও রাখা হতে পারে।







